Bartaman Logo
২৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / বিনোদন

‘টেলিভিশন আমার নিজের ঘর’

রামের বনবাস ছিল ১৪ বছরের। আর তিনি ১৪ বছর কাটিয়ে ফেললেন অভিনয় জগতে। তিনি অর্থাৎ অভিনেত্রী শ্রীপর্ণা রায়। ২০১২ থেকে অভিনয় শুরু। টেলিভিশন হোক বা সিনেমা, নিজের স্বতন্ত্র জায়গা তৈরি করেছেন।

‘টেলিভিশন আমার নিজের ঘর’
  • ২১ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

ধারাবাহিকের পাশাপাশি আসন্ন ছবির গল্প জানালেন অভিনেত্রী শ্রীপর্ণা রায়।

Advertisement

• রামের বনবাস ছিল ১৪ বছরের। আর তিনি ১৪ বছর কাটিয়ে ফেললেন অভিনয় জগতে। তিনি অর্থাৎ অভিনেত্রী শ্রীপর্ণা রায়। ২০১২ থেকে অভিনয় শুরু। টেলিভিশন হোক বা সিনেমা, নিজের স্বতন্ত্র জায়গা তৈরি করেছেন। 
‘কিডন্যাপ’, ‘টনিক’, ‘প্রজাপতি ২’-এর পর দেবের সঙ্গে তাঁর চতুর্থ ছবি ‘বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা’র কাজ শেষ করেছেন শ্রীপর্ণা। কাজ করতে গিয়ে দেবের থেকে কী শিখলেন? হেসে অভিনেত্রীর জবাব, ‘দেবদা কাজ পাগল মানুষ। কীভাবে আরও ভালো করা যায়, সারাক্ষণ সেই চিন্তা করে। ছবি শুরুর আগে তা নিয়েই ভাবনাচিন্তা চলে। সারাক্ষণ একটা মানুষ ছবি নিয়ে ভাবতে পারে, সেটা দেবদাকে দেখেই জেনেছি। ছবি রিলিজের পর রিভিউ খুব মন দিয়ে দেখে। প্রত্যেকের কথা শোনে, বোঝে। এই জায়গায় পৌঁছে যাওয়ার পরও একটা মানুষের ডেডিকেশন, না দেখলে বোঝা যাবে না। কখনো যদি নিজের মনে হয় হাল ছেড়ে দিচ্ছি, এগুলো মনে পড়ে। আমি শাহরুখ খানের প্রচুর সাক্ষাৎকার দেখি। সেখানে যেসব কথা উনি বলেন, দেবদাকে সেটা চোখের সামনে করতে দেখি। ক্যামেরা, পরিচালনা, প্রি-প্রোডাকশন সবটা মাথায় রাখে। সব কিছুতে ১০০ শতাংশ দেয়।’
ধারাবাহিক ‘লক্ষ্মী ঝাঁপি’তে শ্রীপর্ণাকে প্রতিদিন টেলিভিশনে দেখেন দর্শক। তাঁর চরিত্রের নাম ‘কাঁসাই’। শ্রীপর্ণা জানালেন, কাঁসাই খুব আদুরে। পজিটিভ চরিত্র। কিন্তু তার মাথায় বুদ্ধি নেই। মন দিয়ে ভেবে অনেক সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করে। তাঁর কথায়, ‘কাঁসাইয়ের মতো চরিত্র বাস্তবে কম দেখি। এখন তো মাথা দিয়েই সকলে ভাবে। সেটাই উচিত। কাঁসাই যেভাবে ভাবে, শুধু বাড়ির লোকেরাই ওকে বুঝবে। মানুষ তো এখন মানুষকে বুঝতেই পারে না।’
এই মুহূর্তে শ্রীপর্ণার শুধুমাত্র ধারাবাহিকের কাজ চলছে। তিনি বললেন, ‘টেলিভিশনে অভিনয় করলে প্রতিদিনই প্রায় শ্যুটিং থাকে। এখানে কাঁসাই মুখ্য চরিত্র না হলেও, তার গুরুত্ব থাকে সবসময়। আমি কৃতজ্ঞ। আসলে টেলিভিশনে কাজ করতে ভীষণ ভালোবাসি। ২০১২ থেকে কাজ করছি তো। এটা আমার নিজের জায়গা মনে হয়। ছবি করছি, সকলেরই ছবি করতে ভালো লাগে। কিন্তু টেলিভিশন নিজের ঘর বলে মনে হয়।’ 
স্বরলিপি ভট্টাচার্য

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ