নয়াদিল্লি: হাঁটুর উপর ভর দিয়ে বাইশ গজে ঝুঁকে পড়েছেন শুভমান গিল। ভারত অধিনায়কের সঙ্গে একফ্রেমেই পিচ পর্যবেক্ষণে হাজির কুলদীপ যাদব এবং রবীন্দ্র জাদেজা। বুধবার ফিরোজ শাহ কোটলার প্রতীকী ছবি হয়ে থাকল এটাই। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট শুরু শুক্রবার। তার আগে পিচ নিয়ে যত ভাবনা। ভারতীয় কোচ গৌতম গম্ভীরকেও তো দেখা গেল ডানহাত থুতনিতে রেখে পিচের দিকে দীর্ঘক্ষণ তাকিয়ে থাকতে।
এই টেস্টের জন্য নতুন করে তৈরি হয়েছে সেন্টার স্ট্রিপ। কিউরেটররা জোর দিয়েছেন বাউন্স ও গতিসম্পন্ন পিচ তৈরিতে। অতীতে কোটলা মানেই ছিল স্পিনারদের স্বর্গরাজ্য। ম্যাচ যত গড়ায়, তত জাঁকিয়ে বসেন স্পিনাররা। এখানেই অনিল কুম্বলে নিয়েছিলেন দশ উইকেট। এই টেস্টেও হয়তো তার ব্যতিক্রম হবে না। তবে লড়াইটা মোটেই একতরফা হবে না। কিউরেটররা আশাবাদী যে, অন্তত তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশন পর্যন্ত ব্যাটাররা শট খেলতে পারবেন অনায়াসে। তারপর দাপট বাড়বে স্পিনারদের।
সাই সুদর্শনের সামনে অবশ্য কঠিন চ্যালেঞ্জ। টেস্টে সাত ইনিংসে তাঁর ব্যাটে এসেছে মাত্র ১৪৭ রান। স্বভাবতই সুদর্শনকে তিন নম্বরে নামানো নিয়ে চলছে চর্চা। এই প্রসঙ্গে দলের সহকারী কোচ রায়ান টেন ডয়েসকাটে বলেছেন, ‘ওর প্রতি আমাদের আস্থা রয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি ওর ব্যাটে বড় রান আসবে। তবে ও নিজেও জানে যে, অনেকেই তিন নম্বরে নামার অপেক্ষায়। এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবেই। তার মধ্যেই সুদর্শনকে রান করতে হবে।’ ডয়েসকাটে জানিয়েছেন যে সিম বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে নীতীশ রেড্ডিকে তৈরি করতে চাওয়ার কথা। প্রথম এগারোয় তাই পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম। এদিকে, বুধবার কোচ গম্ভীরের বাড়িতে নৈশভোজনে গিয়েছিল গোটা দল। উপস্থিত ছিলেন বোর্ড সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লাও।