


মুম্বই: একাদশ শ্রেণির ছাত্রের প্রেমে মত্ত মুম্বইয়ের নামী স্কুলের ইংরেজি শিক্ষিকা বিপাশা কুমার। সেই মোহের বশেই দিনের পর দিন জোর করে নাবালকের সঙ্গে যৌন সংসর্গ এবং সেই ছাত্র মানসিকভাবে ভেঙে পড়লে তাকে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ খাওয়ানোর মতো অভিযোগ উঠল মুম্বইয়ের এক নামী স্কুলের শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একইসঙ্গে এই কাজে মদতের অভিযোগে কিশোরের এক সহপাঠী ছাত্রীকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিস।
বিপাশা কুমার ২০২৩ সালে ওই ছাত্রকে প্রথম এক নাচের অনুষ্ঠানে দেখেন। তারপর থেকেই তিনি ওই কিশোরের সঙ্গ পেতে মরিয়া হয়ে ওঠেন। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে প্রথম ওই ছাত্রের নাগাল পান ওই মহিলা। পুলিস তদন্তে জানতে পেরেছে, শিক্ষিকার নির্দেশে ওই ছাত্রেরই এক বান্ধবী এব্যাপারে তাকে উৎসাহ দিতে থাকে। ওই ছাত্রীই বলেছিল যে, এটা এখনকার দিনে অত্যন্ত সাধারণ ঘটনা। এতে কোনও সমস্যা নেই। এরপরই শিক্ষিকার সঙ্গে দেখা করতে রাজি হয় ওই কিশোর। সেই শুরু। গাড়িতে চাপিয়ে একটি স্থানে নিয়ে গিয়ে কিশোরের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করেন বিপাশা। এই ঘটনায় প্রাথমিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়লে তাকে নানাবিধ ওষুধও দেন শিক্ষিকা। তবে একদিনের ঘটনায় থেমে যাননি শিক্ষিকা। দক্ষিণ মুম্বইয়ের বিভিন্ন বিলাসবহুল হোটেলে বিভিন্ন দিনে তাকে নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতন চালিয়ে যান। নির্যাতিত কিশোর একসময় গোটা বিষয় বাবা-মাকে জানায়। যদিও লোকলজ্জার ভয়ে নির্যাতিতর পরিবার কোনও অভিযোগ দায়ের করেনি। উল্টে তাঁরা ভেবেছিলেন, কয়েকদিন পরই ওই ছাত্র স্কুল পাশ করে যাবে। তাহলেই মুক্তি মিলবে। কিন্তু, স্কুল ছাড়ার পরও ওই নাবলাককে লাগাতার ফোনে বিরক্ত করতে থাকেন বিপাশা। এবার বাধ্য হয়েই পুলিসের দ্বারস্থ হন নির্যাতিতর পরিবার। পুলিস ওই শিক্ষিকা ও ছাত্রের বান্ধবীকে গ্রেপ্তার করেছে।