নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: মাদক কেসে ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে শিক্ষককে রাস্তা থেকে পাঁশকুড়া থানায় নিয়ে গিয়ে আটকে রাখার অভিযোগ উঠল। অভিযোগ, এক পুলিস অফিসার ১৫ হাজার টাকা আদায় করে গভীর রাতে ওই শিক্ষক ও তাঁর সঙ্গী চালককে ছেড়ে দেয়। ২৬ মার্চের ঘটনায় বিভাগীয় তদন্ত শুরু করল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিস। ডিএসপি (ট্রাফিক)-১ শ্যামল চক্রবর্তী ওই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন। ১০ সেপ্টেম্বর পাঁশকুড়া থানার সাব ইন্সপেক্টর আমির খান ছাড়াও জুগিবাঁধ প্রাইমারি স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুজিত পড়িয়া, প্রাইভেট গাড়ির মালিক সমীর ঘোষ এবং সুজিতবাবুর পরিচিত অঞ্জন বসুকে নিমতৌড়িতে ডেকে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের বয়ান সংগ্রহের পর পুলিস সুপারকে রিপোর্ট দেবেন ডিএসপি (ট্রাফিক)-১। সম্প্রতি পুলিসের বিরুদ্ধে ময়নার মাছের ব্যবসায়ীরা দৈনিক সাড়ে ১২ লক্ষ টাকা তোলা আদায়ের বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন। পাঁশকুড়ার অভিযোগ আরও মারাত্মক। একজন স্কুলশিক্ষককে রাস্তা থেকে তুলে থানায় নিয়ে যাওয়ার পর রাতভর আটকে রেখে ১৫ হাজার টাকা আদায় করা হয়।



