সংবাদদাতা, তেহট্ট: সরকারি জমি দখল করে বাংলা আবাস যোজনা প্রকল্পে বাড়ি করছিলেন এক উপভোক্তা। তেহট্ট-১ ব্লকের বিডিওর কাছে এই অভিযোগ করেছিলেন ওই উপভোক্তার এক প্রতিবেশী। অভিযোগ পেয়ে বুধবার তদন্তে যান বিডিও সঞ্জীব সেন সহ ব্লকের আধিকারিকরা। এই ঘটনায় উপভোক্তা আর অভিযোগকারী দু’পক্ষই উত্তেজিত হয়ে পড়ে। অবশেষে দু’জনেরই দখলে থাকা সরকারি জমি দখলমুক্ত করার পর উত্তেজনা কমে। ঘটনা তেহট্ট থানার ধোপট্ট মুসলিমপাড়া এলাকায়।
Advertisement
স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুসলিমপাড়ার বাসিন্দা মিজু শেখ বাংলা বাড়ি প্রকল্পের প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা পান। সেই টাকা পাওয়ার পর বাড়ি তৈরি শুরু করেন। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে সরকারি জমিতেই তিনি বাড়ি তৈরি করছেন। এই বিষয়ে প্রতিবেশী সিরাজ উদ্দিন দফাদার তেহট্ট -১ বিডিও অফিসে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ পেয়ে ব্লক প্রশাসন তদন্ত শুরু করে। সেই তদন্তের পর মিজু শেখকে জমির দখল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয় ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে। কিন্তু তিনি সরকারি জায়গাতেই বাড়ি তৈরির কাজ চালিয়ে যান। আবার অভিযোগ জানান সিরাজ সাহেব।
এরপর বুধবার সকালে ঘটনার তদন্তে যান বিডিও, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ইমরান শেখ ও চাঁদেরঘাট পঞ্চায়েত প্রধান তনুশ্রী সর্দার। প্রশাসনের কর্তারা ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর দু’পক্ষই উত্তেজিত হয়ে পড়ে। এরপর ব্লক প্রশাসনের নির্দেশে আমিন দিয়ে মাপজোক করা হয়। দেখা যায় পাঁচ ইঞ্চি সরকারি জমি দখল করে মিজু শেখ ইটের গাথনি করছে। সঙ্গে সঙ্গেই ওই জায়গা দখলমুক্ত করা হয়। এদিকে প্রশাসনের কর্তাদের সামনে বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, সিরাজউদ্দিন সাহেবও সরকারি জমি দখল করে বাড়ি করেছেন। এরপর বিডিওর নির্দেশে তাঁর বাড়িতেও মাপজোক করা হয়। দেখা যায় প্রায় ১৫০ স্কোয়ার ফুট সরকারি জমি দখল করেছিলেন সিরাজউদ্দিন সাহেব। ওই জায়গাও দখলমুক্ত করা হয়।
এদিন বিডিও বলেন, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি জায়গাও দখলমুক্ত করা হয়েছে।
এরপর বুধবার সকালে ঘটনার তদন্তে যান বিডিও, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ইমরান শেখ ও চাঁদেরঘাট পঞ্চায়েত প্রধান তনুশ্রী সর্দার। প্রশাসনের কর্তারা ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর দু’পক্ষই উত্তেজিত হয়ে পড়ে। এরপর ব্লক প্রশাসনের নির্দেশে আমিন দিয়ে মাপজোক করা হয়। দেখা যায় পাঁচ ইঞ্চি সরকারি জমি দখল করে মিজু শেখ ইটের গাথনি করছে। সঙ্গে সঙ্গেই ওই জায়গা দখলমুক্ত করা হয়। এদিকে প্রশাসনের কর্তাদের সামনে বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, সিরাজউদ্দিন সাহেবও সরকারি জমি দখল করে বাড়ি করেছেন। এরপর বিডিওর নির্দেশে তাঁর বাড়িতেও মাপজোক করা হয়। দেখা যায় প্রায় ১৫০ স্কোয়ার ফুট সরকারি জমি দখল করেছিলেন সিরাজউদ্দিন সাহেব। ওই জায়গাও দখলমুক্ত করা হয়।
এদিন বিডিও বলেন, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি জায়গাও দখলমুক্ত করা হয়েছে।



