সংবাদদাতা, পতিরাম ও তপন: চলন্ত ট্রেনের প্যান্টোগ্রাফের সঙ্গে জড়িয়ে ছিঁড়ে পড়ল ২৫ হাজার ভোল্টের তার। সোমবার ভোরবেলা বালুরঘাট থেকে তেভাগা এক্সপ্রেস রওনা দিতেই এমন বিপত্তি। প্রায় ঘণ্টা তিনেক পর বালুরঘাট থেকে একটি ইঞ্জিন গিয়ে ট্রেনটিকে ১৪ মাইল থেকে রামপুরে নিয়ে যায়। তারও প্রায় এক ঘণ্টা পর রামপুর থেকে রওনা হয় কলকাতাগামী ট্রেনটি। তড়িঘড়ি রেল ওই জায়গায় বিদ্যুতের তার মেরামতের কাজ শুরু করে। এমন বিপত্তির জেরে শিয়ালদহ, মালদহ প্যাসেঞ্জার, ফরাক্কা এক্সপ্রেস দেরিতে পৌঁছয়। শিলিগুড়ি ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসও দেরিতে ছাড়ে।
Advertisement
উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা বলেন, ট্রেনের প্যান্টোগ্রাফের সঙ্গে লেগে তারের অ্যাঙ্গেল ছিঁড়ে পড়ে বিপত্তি। পরে ডিজেলচালিত একটি ইঞ্জিন ওই ট্রেনটিকে রামপুরে পৌঁছে দেয়। মেরামতির পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। ওই ট্রেনের এক যাত্রী মাহি ফৌজদার বলেন, হঠাৎ আমাদের বগির উপরে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়ে। দীর্ঘক্ষণ ট্রেন দাঁড়িয়ে থাকায় যাত্রীদের ভোগান্তি হয়েছে। আমাকে মালদহ স্টেশন থেকে দূরপাল্লার ট্রেন ধরতে হতো। সেজন্য মাঠ দিয়ে হেঁটে প্রায় আড়াই কিলোমিটার দূরে গিয়ে বাস ধরেছিলাম।
রেল সূত্রে খবর, রামপুর স্টেশনের আগে ওই তার ছিঁড়ে বিপত্তি হওয়ায় সব ট্রেনই দেরিতে পৌঁছয়। বালুরঘাট-মালদহ প্যাসেঞ্জার সাড়ে দশটায় বালুরঘাটে ঢোকার কথা থাকলেও দুপুর একটায় পৌঁছয়। এছাড়া ফরাক্কা এক্সপ্রেস প্রায় ঘণ্টাখানেক দেরিতে বালুরঘাটে আসে।
রেল সূত্রে খবর, রামপুর স্টেশনের আগে ওই তার ছিঁড়ে বিপত্তি হওয়ায় সব ট্রেনই দেরিতে পৌঁছয়। বালুরঘাট-মালদহ প্যাসেঞ্জার সাড়ে দশটায় বালুরঘাটে ঢোকার কথা থাকলেও দুপুর একটায় পৌঁছয়। এছাড়া ফরাক্কা এক্সপ্রেস প্রায় ঘণ্টাখানেক দেরিতে বালুরঘাটে আসে।



