নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য মুর্শিদাবাদ জেলায় প্রথমবার বিসিজি টিকাকরণ শুরু হচ্ছে। টিবি রোগের প্রতিরোধক এই টিকার আওতায় জেলার ১৬ লক্ষ মানুষকে আনার চেষ্টা করছে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। আগামী মঙ্গলবার থেকে শুরু হবে টিকাকরণ। চলবে ৩১ মার্চ পর্যন্ত। এই দেড় মাসের মধ্যে জেলার মোট জনসংখ্যার পাঁচ ভাগের এক ভাগকে টিকার আওতায় নিয়ে আসা এখন বাড়তি চ্যালেঞ্জ স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্মীদের। প্রতিটি ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে এই টিকাকরণ হবে।। পাশাপাশি সুস্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং প্রত্যন্ত গ্রামে গিয়ে ছোট ছোট ক্যাম্প করে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। বেশকিছু জায়গায় মোবাইল ক্যাম্পেরও আয়োজন করা হবে।। ভ্রাম্যমান ক্যাম্পে স্বাস্থ্যকর্মীরা এক একটি পাড়ায় গিয়ে সাধারণ মানুষকে টিকা দেবেন বলে জানা গিয়েছে।
Advertisement
জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক(সিএমওএইচ) সন্দীপ সান্যাল বলেন, প্রথমবার প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য বিসিজি টিকাকরণ শুরু হচ্ছে আমাদের জেলায়। টিবিমুক্ত বাংলা গড়ার লক্ষ্যে আমরা টিককরণ শুরু করছি। আমাদের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ১৬ লক্ষ। এই বিপুল সংখ্যক মানুষকে টিকাকরণ করার কাজ আগামী দেড় মাসের মধ্যে শেষ করে ফেলব বলেই আমরা আশাবাদী। মঙ্গলবার থেকে কোমর বেঁধে নামছি। সমস্ত জায়গাতে টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হবে। সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে বিসিজি টিকাকরণ ও প্রয়োজনীয় ফলোআপ করা হবে। বিসিজি টিকা নিলে শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং গুরুতর টিবি রোগ সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। কারা পাবে এই টিকা? জানা গিয়েছে, ১৮ বছরের বেশি বয়সি যাঁরা গত পাঁচ বছরে টিবি রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন তাঁদেরকে আগে টিকা দেওয়া হবে। তাছাড়া, গত তিন বছরে কোনও পরিবারে টিবি রোগী ও তাঁর দেখভাল করেন এমন মানুষকে টিকা দেওয়া হবে। ডায়াবেটিক রোগীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এছাড়া ধূমপানের নেশা আছে বা আগে ধূমপায়ী ছিলেন এমন মানুষকে টিকা নিতে হবে। খুব কম ওজন এবং ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সের মানুষ টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।
ইতিমধ্যেই জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফ থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে একটি মূল্যায়ন করা হয়েছে। সেই রিপোর্ট পর্যালোচনা করে স্বাস্থ্য আধিকারিকরা দেখেছেন জেলায় আট লক্ষের বেশি মানুষ টিকা নিতে ইচ্ছুক। ফলে আগামী সপ্তাহ থেকে টিকা দেওয়া শুরু করলেই, প্রথমেই বিশাল সংখ্যক মানুষ টিকার আওতায় চলে আসবেন।
স্বাস্থ্য দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, আমরা জানি টিবি একটি বায়ুবাহিত ব্যাকটেরিয়া যা হাঁচি-কাশির মাধ্যমে শরীরে ঢুকে ফুসফুসে বাসা বাঁধলে টিবি রোগ হয়। এই জীবাণু শরীরের ঢুকলেই টিবি রোগ হবে এমন নয়। কারও শরীরে প্রতিরোধক ব্যবস্থা ঠিক থাকলে তিনি টিবি রোগে আক্রান্ত নাও হতে পারেন। সেজন্য যাঁরা এই টিবি রোগ থেকে নিরাপদ নয়, সেসব পূর্ণবয়স্ক মানুষদের বিসিজি টিকা নিতে হবে। সুস্থ জীবন যাপনে এই বিসিজি টিকা সাহায্য করবে এবং সংক্রমণ থেকে রক্ষা করবে।
ইতিমধ্যেই জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফ থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে একটি মূল্যায়ন করা হয়েছে। সেই রিপোর্ট পর্যালোচনা করে স্বাস্থ্য আধিকারিকরা দেখেছেন জেলায় আট লক্ষের বেশি মানুষ টিকা নিতে ইচ্ছুক। ফলে আগামী সপ্তাহ থেকে টিকা দেওয়া শুরু করলেই, প্রথমেই বিশাল সংখ্যক মানুষ টিকার আওতায় চলে আসবেন।
স্বাস্থ্য দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, আমরা জানি টিবি একটি বায়ুবাহিত ব্যাকটেরিয়া যা হাঁচি-কাশির মাধ্যমে শরীরে ঢুকে ফুসফুসে বাসা বাঁধলে টিবি রোগ হয়। এই জীবাণু শরীরের ঢুকলেই টিবি রোগ হবে এমন নয়। কারও শরীরে প্রতিরোধক ব্যবস্থা ঠিক থাকলে তিনি টিবি রোগে আক্রান্ত নাও হতে পারেন। সেজন্য যাঁরা এই টিবি রোগ থেকে নিরাপদ নয়, সেসব পূর্ণবয়স্ক মানুষদের বিসিজি টিকা নিতে হবে। সুস্থ জীবন যাপনে এই বিসিজি টিকা সাহায্য করবে এবং সংক্রমণ থেকে রক্ষা করবে।



