Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

তামান্না খুন: ধৃতের আত্মীয়ের উপর ‘হামলা’, ৫ সিপিএম কর্মীর নামে অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: জামিনে ছাড়া পেয়ে ফের অশান্তি পাকানোর অভিযোগ উঠল সিপিএম কর্মীদের বিরুদ্ধে। নদীয়ার কালীগঞ্জের মোলান্দিতে শনিবার সকালে তামান্না খুনে ধৃতের আত্মীয়ের উপর হামলার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।

তামান্না খুন: ধৃতের আত্মীয়ের উপর ‘হামলা’,  ৫ সিপিএম কর্মীর নামে অভিযোগ
  • ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: জামিনে ছাড়া পেয়ে ফের অশান্তি পাকানোর অভিযোগ উঠল সিপিএম কর্মীদের বিরুদ্ধে। নদীয়ার কালীগঞ্জের মোলান্দিতে শনিবার সকালে তামান্না খুনে ধৃতের আত্মীয়ের উপর হামলার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। এই হামলায় গুরুতরভাবে জখম হন রফিকুল শেখ নামে এক ব্যক্তি। বর্তমানে তিনি বহরমপুর মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন।

Advertisement

অভিযোগ উঠেছে, সিপিএম কর্মী সাদ্দাম শেখ, ঈদ মহম্মদ সহ মোট পাঁচজন এই হামলার ঘটনায় যুক্ত। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তরা পলাতক। কালীগঞ্জের মীরা ফাঁড়িতে আক্রান্ত পরিবারের তরফে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তামান্না খুনের ঘটনায় গ্রেফতার হন আদর আলী শেখ। আদরের ভাগ্নে রফিকুল শেখ শনিবার মুর্শিদাবাদ থেকে মোলান্দিতে ফিরছিলেন। সেই সময় সাদ্দাম ও ঈদ মহম্মদ সহ পাঁচজন রফিকুলের উপর আচমকাই চড়াও হয় এবং তাকে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। যার ফলে রফিকুল গুরুতর জখম হন। 
প্রসঙ্গত, গত ২৩ জুন কালীগঞ্জের মোলান্দিতে তামান্না খুনের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সেই সময় সিপিএম কর্মী সাদ্দাম শেখ ও ঈদ মহম্মদ আন্দোলনের প্রথম সারিতে ছিলেন। ঘটনার দিন রাতেই খুনের মামলার ধৃত আদর আলীর আত্মীয় বাদশা শেখের উপর সিপিএম কর্মীরা চড়াও হয়ে তাকে ছুরিকাঘাত করে বলে অভিযোগ। 
গুরুতর আহত বাদশাকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। এর জেরে গত ২৬ জুন কালীগঞ্জ থানায় মোট ২০ জনের নামে অভিযোগ দায়ের হয়। সেই তালিকায় সাদ্দাম শেখ ও ঈদ মহম্মদেরও নাম ছিল। জুলাই মাসে তাদের গ্রেফতার করতে গিয়ে পুলিশ বাধার মুখে পড়ে। পরবর্তীতে দু’জনকেই গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়। প্রায় এক সপ্তাহ আগে তারা জামিনে মুক্তি পেয়ে বাড়ি ফেরেন। 
বাড়ি ফেরার পরই ফের এই হামলার ঘটনা ঘটল বলে অভিযোগ। কালীগঞ্জের সিপিএম নেতা দেবাশিস আচার্য বলেন, তামান্না খুনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৪ জন অভিযুক্তকে পুলিশ ধরতে পারেনি। তাই আমাদের দলীয় কর্মীদের মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগ পাওয়া মাত্রই তদন্ত শুরু হয়েছে এবং অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ