Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

৪৩টি রাইস মিলের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর খাদ্যদপ্তরের

৪৩টি রাইস মিলের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর খাদ্যদপ্তরের
  • ১৪ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: বাঁকুড়ায় সহায়ক মূল্যে কেনা ধান ৪৩টি রাইস মিলে পাঠানো হবে। কোন সিপিসিতে কেনা ধান কোন রাইসমিলে যাবে তা নির্দিষ্ট করে দিয়েছে খাদ্যদপ্তর। সেই অনুযায়ী রাইসমিলগুলিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।  
Advertisement
বাঁকুড়া জেলা খাদ্য নিয়ামক শেখ আলিমুদ্দিন বলেন, জেলায় মোট ৪১টি সিপিসিকে স্থানীয় কোনও না কোনও রাইস মিলের সঙ্গে ট্যাগ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে ৪৩টি রাইস মিলের সঙ্গে চুক্তিপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছে। 
দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২ নভেম্বর থেকে জেলার মোট ৩৪টি স্থায়ী ক্রয় কেন্দ্র এবং ৭টি মোবাইল ক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে চাষিদের থেকে ধান কেনা আরম্ভ হয়েছে। যদিও বাঁকুড়ায় এখনও বেশির ভাগ ধান মাঠেই রয়েছে। জলদি জাতের কিছু ধান কাটা হয়েছে। আর কিছুদিন পর থেকে পুরোদমে ধান কাটা চলবে। তারপরেই সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রয়ে আগ্রহী হবেন কৃষকরা। এবারে ধানের সহায়ক মূল্যও বাড়ানো হয়েছে। গত বছর কুইন্টাল পিছু ধানের সহায়ক মূল্য ছিল ২ হাজার ১৮৩ টাকা। এবারে তা বাড়িয়ে ২ হাজার ৩০০ টাকা করা হয়েছে। সিপিসিতে ধান বিক্রয় করলে চাষিরা কুইন্টাল পিছু অতিরিক্ত ২০ টাকা ইনসেনটিভ পাবেন।  
দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সিপিসি ছাড়াও জেলায় প্রায় ৭৫টি সমবায় সমিতি ও সংঘ সমবায়ের মাধ্যমেও চাষিদের কাছ থেকে ধান কেনা হবে। তাদেরও স্থানীয় রাইসমিলের সঙ্গে ট্যাগ করা হবে। ধান কেনায় যাতে কোনও রকম দুর্নীতি না হয় তার জন্য চাষিদের বায়োমেট্রিক ছাপ নেওয়া হবে। এছাড়াও প্রতিটি সিপিসিতে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। একজন চাষি সর্বাধিক ৯০ কুইন্টাল ধান সহায়ক মূল্যে বিক্রয় করতে পারবেন। শুধু তাই নয়, ধান বিক্রয়ের জন্য ‘ই প্যাডি’ পোর্টালে নাম নথিভুক্ত করতে হবে। ভিড় এবং বিশৃঙ্খলা এড়াতে চাষিদের স্লট বুকিং করতে হবে। সেই অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে চাষিরা ধান বিক্রয় করতে পারবেন। সব মিলিয়ে সহায়ক মূল্যে ধান কেনার গোটা প্রক্রিয়াটিকে সুসংহত করা হয়েছে।    
সম্পর্কিত সংবাদ