সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: ২০টি ওয়ার্ডের বেহাল রাস্তা, গার্ডওয়াল ও ড্রেন সংস্কারের কাজের ওয়ার্ক অর্ডার দিচ্ছে আলিপুরদুয়ার পুরসভা। আগামী ২৫ নভেম্বর ভোটের আচরণবিধি উঠে যাচ্ছে। তারপরই ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই ওই কাজের টেন্ডার হয়েছে। কিন্তু ভোটের আচরণবিধির কারণে পুরসভা এতদিন কাজের অর্ডার দিতে পারেনি। কাজের জন্য ২ কোটি ৬৩ লক্ষ টাকার টেন্ডার হয়েছে বলে জানিয়েছে পুরসভা। যদিও বিরোধীদের কথায়, আগে কাজের ওয়ার্ক অর্ডার হোক, তারপর দেখা যাবে।
Advertisement
পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস কাউন্সিলার শান্তনু দেবনাথ বলেন, রাস্তার কাজের জন্য অর্থ বরাদ্দের কথা দুর্গাপুজোর আগে থেকেই শুনে আসছি। কাজ শুরু না হওয়ার জন্য তখন পুরসভা বৃষ্টি ও পুজোর সাফাই দিয়েছিল। এখন বলছে ভোটের আচরণবিধি উঠলেই কাজের ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হবে। আসলে এসবই তৃণমূল পুরসভার ভাঁওতাবাজি।
পুর চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ কর অবশ্য বলেন, শহরের বেহাল রাস্তা, ড্রেন ও কালভার্ট সংস্কারে ২ কোটি ৬৩ লক্ষ টাকার টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। বিরোধীরা কে কী বলছেন আমাদের জানা নেই। ২৫ তারিখ ভোটের আচরণবিধি উঠে গেলেই এই কাজের ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হবে। শুরু হবে কাজ।
শহরের বাসিন্দাদের দাবি, আর কোনও অজুহাত নয়। আমরা চাই পুরসভা এবার দ্রুত বেহাল রাস্তা সংস্কারের কাজে হাত দিক। পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রবীণ বাসিন্দা জ্যোতির্ময় রায় বলেন, শহরের রাস্তাঘাটের বেহাল দশার জন্য চলাচল করতে অসুবিধা হচ্ছে।
২০টি ওয়ার্ডের মধ্যে সবচেয়ে বেহাল রাস্তার অবস্থা ৩, ৪, ৫, ১১, ১৫, ১৮ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ডে। পিচের চাদর উঠে গিয়েছে। এখন শুখা মরশুমে গাড়ি চলাচলের সময় ধুলো উড়ছে। পুর চেয়ারম্যান অবশ্য বলেন, এবার বেহাল রাস্তা মেরামত হচ্ছেই।
পুর চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ কর অবশ্য বলেন, শহরের বেহাল রাস্তা, ড্রেন ও কালভার্ট সংস্কারে ২ কোটি ৬৩ লক্ষ টাকার টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। বিরোধীরা কে কী বলছেন আমাদের জানা নেই। ২৫ তারিখ ভোটের আচরণবিধি উঠে গেলেই এই কাজের ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হবে। শুরু হবে কাজ।
শহরের বাসিন্দাদের দাবি, আর কোনও অজুহাত নয়। আমরা চাই পুরসভা এবার দ্রুত বেহাল রাস্তা সংস্কারের কাজে হাত দিক। পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রবীণ বাসিন্দা জ্যোতির্ময় রায় বলেন, শহরের রাস্তাঘাটের বেহাল দশার জন্য চলাচল করতে অসুবিধা হচ্ছে।
২০টি ওয়ার্ডের মধ্যে সবচেয়ে বেহাল রাস্তার অবস্থা ৩, ৪, ৫, ১১, ১৫, ১৮ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ডে। পিচের চাদর উঠে গিয়েছে। এখন শুখা মরশুমে গাড়ি চলাচলের সময় ধুলো উড়ছে। পুর চেয়ারম্যান অবশ্য বলেন, এবার বেহাল রাস্তা মেরামত হচ্ছেই।



