সংবাদদাতা, ইসলামপুর: লোকসভা নির্বাচনের বছর না ঘুরতেই উত্তর দিনাজপুরে বিজেপির সাংগঠনিক দুর্বলতা প্রকাশ্যে। সম্প্রতি জেলার ৩৩ টি মণ্ডলের মধ্যে ২১ টির সভাপতি ঘোষণা হয়েছে। বাকি ১২ টি মণ্ডলের সভাপতির নাম ঘোষণা করতে পারেনি গেরুয়া শিবির। খোদ দলের জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকারের খাসতালুক ইটাহার ব্লকে একটি মণ্ডলেও সভাপতি ঘোষণা হয়নি। সাধারণ সম্পাদক তাপস বিশ্বাস গোয়ালপোখরের বাসিন্দা। কিন্তু সেখানে তিনটির মধ্যে মাত্র একটির সভাপতি বাছা হয়েছে। সহ সভাপতি সুরজিৎ সেন থাকেন ইসলামপুর শহরে। সেখানে চারটি মণ্ডলের মধ্যে মাত্র একটির সভাপতির নাম সামনে এসেছে। এতে সংগঠনিক দুর্বলতার কথা বলে নিচুতলার কর্মীরা নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করছেন।
Advertisement
জেলা সভাপতি এবিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি। সহ সভাপতি সুরজিৎ সেন বলেন, একটি মণ্ডল কমিটির অধীনে যতগুলি বুথ থাকবে, তার ৬০ শতাংশ কমিটি গঠন হলেই সভাপতি ঘোষণার নিয়ম ছিল। এর জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। ওই সময়ের মধ্যে যে ২১টি মণ্ডল লক্ষ্য পূরণ করেছে বলে সেগুলির সভাপতি ঘোষণা হয়েছে। বাকি ১২ টিতেও সংগঠন আছে। বুথ কমিটি থাকলেও সময়ের অভাবে ঘোষণা হয়নি।
নিচুতলার কর্মী-সমর্থকেরা বলছেন, লোকসভা নির্বাচনের দলীয় প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। সেই সময় কমিটিও ছিল। নতুন করে সদস্য সংগ্রহ অভিযান হয়েছে। নির্বাচনের বছর শেষ না হতেই সেই মানুষজন কোথায় গেল? তাপসবাবু বলেন, গোয়ালপোখর সংখ্যালঘু অধ্যষিত এলাকা হওয়ায় সময়ে মণ্ডল সভাপতি বাছাই করা সম্ভব হয়নি। ইসলামপুর প্রসঙ্গে তাপসবাবুর যুক্তি, শহর এলাকায় মানুষজন প্রকাশ্যে বিরোধী দলের সঙ্গে যুক্ত হতে চান না। লোকসভা নির্বাচনের সময়ও একশো শতাংশ বুথ কমিটি ছিল না। নতুন জেলা সভাপতি ঘোষণার পর বাকি মণ্ডলগুলির সভাপতির নাম ঘোষণা হবে।
নিচুতলার কর্মী-সমর্থকেরা বলছেন, লোকসভা নির্বাচনের দলীয় প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। সেই সময় কমিটিও ছিল। নতুন করে সদস্য সংগ্রহ অভিযান হয়েছে। নির্বাচনের বছর শেষ না হতেই সেই মানুষজন কোথায় গেল? তাপসবাবু বলেন, গোয়ালপোখর সংখ্যালঘু অধ্যষিত এলাকা হওয়ায় সময়ে মণ্ডল সভাপতি বাছাই করা সম্ভব হয়নি। ইসলামপুর প্রসঙ্গে তাপসবাবুর যুক্তি, শহর এলাকায় মানুষজন প্রকাশ্যে বিরোধী দলের সঙ্গে যুক্ত হতে চান না। লোকসভা নির্বাচনের সময়ও একশো শতাংশ বুথ কমিটি ছিল না। নতুন জেলা সভাপতি ঘোষণার পর বাকি মণ্ডলগুলির সভাপতির নাম ঘোষণা হবে।



