নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: এবার মহিলা সঙ্ঘ সমবায় সমিতির ভোট নিয়ে প্রস্তুতি শুরু শিলিগুড়িতে। প্রশাসন সূত্রের খবর, মহকুমার গ্রামীণ এলাকায় এমন সঙ্ঘের সংখ্যা ২২টি। সেগুলির নির্বাচন সুষ্ঠুমতো করতে মঙ্গলবার ভোটকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেয় মহকুমা প্রশাসন। এদিকে, বিধানসভা ভোটের আগে গ্রামীণ ভোটব্যাঙ্ক ধরে রাখতে তৎপর তৃণমূল কংগ্রেস। তারা এজন্য সঙ্ঘের নির্বাচন নিয়ে আসরে নেমেছে। স্থানীয় রাজনীতিতে এনিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।
Advertisement
গ্রামে গ্রামে মহিলাদের নিয়ে গঠিত করা হয়েছে স্বনির্ভর গোষ্ঠী। কয়েকটি করে গোষ্ঠী নিয়েই গঠিত হয়েছে সঙ্ঘ সমবায় সমিতি। যার সঙ্গে গ্রামের হাজার হাজার মহিলা যুক্ত। ব্যাঙ্ক ঋণ প্রদান ক্যাম্প, হস্তশিল্প সহ বিভিন্ন বিষয়ের প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করে। এবার সংশ্লিষ্ট সঙ্ঘের ভোট নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করেছে প্রশাসন। ইতিমধ্যে এজন্য জেলা গ্রামোন্নয়ন সেলের ডেপুটি প্রজেক্ট ডিরেক্টার প্রদীপ রায়কে নির্বাচনী আধিকারিক হিসেবে মনোনীত করেছে ওয়েস্ট বেঙ্গল কো-অপারেটিভ ইলেকশন কমিশন। এদিন জেলা গ্রামোন্নয়ন সেলে (ডিআরডিসি) ভোটকর্মীদের প্রশিক্ষণ শিবির হয়।
প্রশাসন সূত্রে খবর, মহকুমার চারটি ব্লকে মহিলা সঙ্ঘ সমবায় সমিতির সংখ্যা ২২টি। কোনওটির অধীনে ১০টি, কোনওটির অধীনে ৩০, ৪০, আবার কোনওটিতে ৬০টি স্বনির্ভর গোষ্ঠী রয়েছে। ভোটের মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরের জন্য সংশ্লিষ্ট সঙ্ঘ সমবায় সমিতিগুলির পরিচালন সমিতি গঠন করা হবে। মহকুমা সর্বনিম্ন ছ’জনের এবং সর্বোচ্চ ২১ জনের পরিচালন সমিতি রয়েছে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা ভোট দিয়ে পরিচালন সমিতির সদস্যদের নির্বাচিত করবেন। এরপর নির্বাচিতদের মধ্য থেকে সঙ্ঘের সভানেত্রী, সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ প্রভৃতি পদের প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন। চলতি মাসেই ভোটগ্রহণ শুরু হবে। আগামী মার্চ মাসের মধ্যে সমস্ত সঙ্ঘের ভোট শেষ করে বোর্ড গঠন করা হবে। প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সমবায় সমিতি নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মতো ভোটকর্মী হিসেবে বিভিন্ন দপ্তর থেকে ৩১ জনকে নেওয়া হয়েছে। তাতে প্রিসাইডিং অফিসার ও ভোটকর্মীরা রয়েছেন। এদিন প্রশিক্ষণ দেওয়া হল। শীঘ্রই সঙ্ঘের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। সর্বত্র পুলিস পাহারায় ভোটগ্রহণ করা হবে। এদিকে, বিধানসভা ভোটের আগে মহকুমার গ্রামীণ ভোটব্যাঙ্ক আরও চাঙ্গা করাই তৃণমূলের টার্গেট। এজন্য জোড়াফুল শিবির মহিলা সঙ্ঘের নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে ময়দানে ঝাঁপিয়েছে। তৃণমূলের দার্জিলিং জেলা সভানেত্রী (সমতল) পাপিয়া ঘোষ বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহায়তায় ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও সঙ্ঘ সমবায় সমিতিগুলি। সেগুলির সদস্যদের সঙ্গে নিবিড় জনসংযোগ গড়ে তুলছি। গ্রামীণ উন্নয়নে সঙ্ঘগুলিকে শামিল করা হচ্ছে। আশা করছি, সংশ্লিষ্ট নির্বাচনে সমস্ত সঙ্ঘ আমাদের দখলে আসবে।
প্রশাসন সূত্রে খবর, মহকুমার চারটি ব্লকে মহিলা সঙ্ঘ সমবায় সমিতির সংখ্যা ২২টি। কোনওটির অধীনে ১০টি, কোনওটির অধীনে ৩০, ৪০, আবার কোনওটিতে ৬০টি স্বনির্ভর গোষ্ঠী রয়েছে। ভোটের মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরের জন্য সংশ্লিষ্ট সঙ্ঘ সমবায় সমিতিগুলির পরিচালন সমিতি গঠন করা হবে। মহকুমা সর্বনিম্ন ছ’জনের এবং সর্বোচ্চ ২১ জনের পরিচালন সমিতি রয়েছে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা ভোট দিয়ে পরিচালন সমিতির সদস্যদের নির্বাচিত করবেন। এরপর নির্বাচিতদের মধ্য থেকে সঙ্ঘের সভানেত্রী, সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ প্রভৃতি পদের প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন। চলতি মাসেই ভোটগ্রহণ শুরু হবে। আগামী মার্চ মাসের মধ্যে সমস্ত সঙ্ঘের ভোট শেষ করে বোর্ড গঠন করা হবে। প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সমবায় সমিতি নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মতো ভোটকর্মী হিসেবে বিভিন্ন দপ্তর থেকে ৩১ জনকে নেওয়া হয়েছে। তাতে প্রিসাইডিং অফিসার ও ভোটকর্মীরা রয়েছেন। এদিন প্রশিক্ষণ দেওয়া হল। শীঘ্রই সঙ্ঘের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। সর্বত্র পুলিস পাহারায় ভোটগ্রহণ করা হবে। এদিকে, বিধানসভা ভোটের আগে মহকুমার গ্রামীণ ভোটব্যাঙ্ক আরও চাঙ্গা করাই তৃণমূলের টার্গেট। এজন্য জোড়াফুল শিবির মহিলা সঙ্ঘের নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে ময়দানে ঝাঁপিয়েছে। তৃণমূলের দার্জিলিং জেলা সভানেত্রী (সমতল) পাপিয়া ঘোষ বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহায়তায় ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও সঙ্ঘ সমবায় সমিতিগুলি। সেগুলির সদস্যদের সঙ্গে নিবিড় জনসংযোগ গড়ে তুলছি। গ্রামীণ উন্নয়নে সঙ্ঘগুলিকে শামিল করা হচ্ছে। আশা করছি, সংশ্লিষ্ট নির্বাচনে সমস্ত সঙ্ঘ আমাদের দখলে আসবে।



