সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: পঞ্চকোট রাজসভার পণ্ডিত হারাধন আচার্যের শুরু করা জগদ্ধাত্রীপুজো ঘিরে আনন্দে মেতে উঠেছেন শিয়ালডাঙা গ্রামের বাসিন্দারা। কাশীপুর ব্লকের মণিহারা পঞ্চায়েতের এই গ্রামের জগদ্ধাত্রীপুজোর খ্যাতি এখন জেলার গণ্ডি ছাড়িয়েছে। এবছর পুজো ১৫৪বছরে পা দিয়েছে। পাঁচদিন ধরে পুজোয় গ্রামের সমস্ত মানুষ অংশ নেন।
Advertisement
হারাধন আচার্যের প্রপিতামহ দীনমণি গঙ্গোপাধ্যায় হুগলি থেকে শিয়ালডাঙা গ্রামে এসেছিলেন। তাঁর পাণ্ডিত্যের কারণে কাশীপুরের পঞ্চকোট রাজা তাঁকে ‘আচার্য’ উপাধি দেন। দীনমণির পৌত্র হারাধনের পরপর ১৯টি কন্যাসন্তান হয়। পুত্রসন্তানের আশায় ১৮৭১ সালে হারাধন আচার্য জগদ্ধাত্রীপুজো শুরু করেন। দু’বছর পরই তাঁর পুত্রসন্তান হয়। এরপর থেকে আচার্য বংশের উত্তরসূরিরা পুজো চালিয়ে যাচ্ছিলেন। পরে এই পুজো সর্বজনীন রূপ নেয়।
এখানে শাক্ত মতে পুজো হয়। একচালা প্রতিমার দুই পাশে থাকেন জয়া ও বিজয়া। ঋষি মার্কণ্ডেয় ও দেবর্ষি নারদও সঙ্গে থাকেন। সবার উপরে থাকে দুই পরী। দেবী এখানে চতুর্ভুজা। গ্রামবাসীরা জানালেন, এই পুজোর মূল আকর্ষণ নবমীর ভোগ রান্না। নবমীর দিন একটি গোলাকার উনুনে ২৩টি হাঁড়ি বসিয়ে ভোগ রান্না করা হয়। অন্নভোগের প্রস্তুতি অষ্টমীর দিন থেকে শুরু হয়। এবার ভোগে ভাত, কুমড়োর তরকারি, মুগ ডাল, দেশি মাছের ঝোল দেওয়া হয়। প্রায় পাঁচহাজার মানুষ পাত পেড়ে অন্নপ্রসাদ খান। গ্রামের বাসিন্দা উৎপল গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, গ্রামে অন্য পুজো হলেও জগদ্ধাত্রী পুজো ঘিরে আবেগটাই আলাদা। এবারই গ্রামে প্রথম নতুন মন্দিরে পুজো হয়েছে। অপর বাসিন্দা জগৎ আচার্য বলেন, পুজোয় সবাই নতুন পোশাক পরেন। এই গ্রামের মেয়েরা পুজোয় বাপের বাড়ি আসেন।
এখানে শাক্ত মতে পুজো হয়। একচালা প্রতিমার দুই পাশে থাকেন জয়া ও বিজয়া। ঋষি মার্কণ্ডেয় ও দেবর্ষি নারদও সঙ্গে থাকেন। সবার উপরে থাকে দুই পরী। দেবী এখানে চতুর্ভুজা। গ্রামবাসীরা জানালেন, এই পুজোর মূল আকর্ষণ নবমীর ভোগ রান্না। নবমীর দিন একটি গোলাকার উনুনে ২৩টি হাঁড়ি বসিয়ে ভোগ রান্না করা হয়। অন্নভোগের প্রস্তুতি অষ্টমীর দিন থেকে শুরু হয়। এবার ভোগে ভাত, কুমড়োর তরকারি, মুগ ডাল, দেশি মাছের ঝোল দেওয়া হয়। প্রায় পাঁচহাজার মানুষ পাত পেড়ে অন্নপ্রসাদ খান। গ্রামের বাসিন্দা উৎপল গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, গ্রামে অন্য পুজো হলেও জগদ্ধাত্রী পুজো ঘিরে আবেগটাই আলাদা। এবারই গ্রামে প্রথম নতুন মন্দিরে পুজো হয়েছে। অপর বাসিন্দা জগৎ আচার্য বলেন, পুজোয় সবাই নতুন পোশাক পরেন। এই গ্রামের মেয়েরা পুজোয় বাপের বাড়ি আসেন।



