নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: স্যালাইনের অভাবে রোগীমৃত্যুর অভিযোগের তদন্তে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করল রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার বৈঠক শেষে মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ একথা জানায়। তদন্ত কমিটিকে চলতি সপ্তাহেই তদন্তের রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই রিপোর্ট পাঠানো হবে স্বাস্থ্যভবনে। সেইসঙ্গে রোগীমৃত্যুর ঘটনায় প্রাথমিক তদন্তের একটি রিপোর্ট এদিনই মেডিক্যাল কলেজের তরফে স্বাস্থ্যভবন ও উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসকের কাছে পাঠানো হয়েছে।
Advertisement
১৩ জানুয়ারি রবিবার রাতে শ্বাসকষ্ট নিয়ে কালিয়াগঞ্জের বাসিন্দা হিরন্ময় মোহন্ত নামে এক রোগীকে ভর্তি করা হয় রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজের পুরুষ মেডিসিন বিভাগে। রাতভর চিকিৎসা পর্ব চলার পর তাঁর মৃত্যু হয় মেডিক্যাল কলেজে। এরপরই অভিযোগ ওঠে রোগী মৃত্যুর জন্য দায়ী স্যালাইনের অভাব ও চিকিৎসায় গাফিলতি। এনিয়ে রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায় হাসপাতালে। কারণ রাজ্যজুড়ে যখন স্যালাইন নিয়ে বিতর্ক চলছে, তখন স্যালাইনের অভাবেই রোগীমৃত্যুর অভিযোগ। আর এতেই অস্বস্তি বাড়ে মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের।
মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে খবর, অভিযোগ হওয়ার পর প্রাথমিকভাবে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের বিভাগীয় প্রধান সহ চিকিৎসকদের নিয়ে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়েছে। হিরম্ময়বাবু হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন। সঙ্গে হাইপার টেনশন ও ডায়াবেটিস ছিল। তিনি ১২ জানুয়ারি রাত ১০টা থেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে প্রথমে কালিয়াগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরদিন সেই রোগী রেফার হয়ে আসে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। জরুরি বিভাগে রোগীকে যখন আনা হয়, তখনই তাঁর থম্বোসিস ছিল। যা যে কোনও রোগীর জন্যই অত্যন্ত জটিল অবস্থা। বিষয়টি কর্তব্যরত চিকিৎসক রোগীর পরিজনদের জানিয়ে দিয়েছিলেন। এমনকী পরিবারের লোকজন লিখিতও দিয়েছিলেন। যেখানে তাঁরা জানিয়েছিলেন, রোগীর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। রোগীর পরিজনরা স্যালাইন দেওয়া হয়নি বা অভাব বলে যে অভিযোগ তুলেছেন, তা ঠিক নয়। কারণ রোগীকে রবিবার মধ্যরাতে স্যালাইনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হয়।
মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে খবর, অভিযোগ হওয়ার পর প্রাথমিকভাবে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের বিভাগীয় প্রধান সহ চিকিৎসকদের নিয়ে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়েছে। হিরম্ময়বাবু হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন। সঙ্গে হাইপার টেনশন ও ডায়াবেটিস ছিল। তিনি ১২ জানুয়ারি রাত ১০টা থেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে প্রথমে কালিয়াগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরদিন সেই রোগী রেফার হয়ে আসে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। জরুরি বিভাগে রোগীকে যখন আনা হয়, তখনই তাঁর থম্বোসিস ছিল। যা যে কোনও রোগীর জন্যই অত্যন্ত জটিল অবস্থা। বিষয়টি কর্তব্যরত চিকিৎসক রোগীর পরিজনদের জানিয়ে দিয়েছিলেন। এমনকী পরিবারের লোকজন লিখিতও দিয়েছিলেন। যেখানে তাঁরা জানিয়েছিলেন, রোগীর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। রোগীর পরিজনরা স্যালাইন দেওয়া হয়নি বা অভাব বলে যে অভিযোগ তুলেছেন, তা ঠিক নয়। কারণ রোগীকে রবিবার মধ্যরাতে স্যালাইনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হয়।
রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার প্রিয়ঙ্কর রায় বলেন, সব রোগীর স্যালাইন লাগবেই, এমনটা নয়। কিছু রোগী থাকেন, যাঁদের শরীরে অতিমাত্রায় স্যালাইন দেওয়া হলে হিতে বিপরীত হয়। হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তবে আমরা সব দিক খতিয়ে দেখতে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। কমিটিকে চলতি সপ্তাহেই রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি একটি প্রাথমিক রিপোর্ট জেলাশাসক ও স্বাস্থ্যভবনে পাঠানো হয়েছে।



