নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: স্যালাইনের চ্যানেল করার পরই হাতে বীভৎস ফোস্কা। সঙ্গে শ্বাসকষ্ট। চরম সঙ্কটজনক রোগী। এ ঘটনায় জলপাইগুড়ি মেডিক্যালের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে সরব হলেন রোগীর পরিবারের সদস্যরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অবশ্য গাফিলতির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে।
Advertisement
মেডিক্যালের সুপার ডাঃ কল্যাণ খাঁর দাবি, অনিয়ন্ত্রিত সুগার এবং ত্বকে সংক্রমণের কারণেই রোগীর এমন পরিস্থিতি হয়েছে। মেডিসিন বিভাগের প্রধান নিজে রোগীকে দেখছেন। রোগীকে সার্জারি করানোরও প্রয়োজন হতে পারে। পরিবারকে তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ময়নাগুড়ি থানার দক্ষিণ ভূষকাডাঙার বাসিন্দা ৬৫ বছরের বৃদ্ধ পরিমল সরকার। জ্বর ও বমি নিয়ে গত ৩ ডিসেম্বর ভর্তি হন জলপাইগুড়ি মেডিক্যালে। রোগীর ছেলে প্রবীর সরকারের দাবি, হাসপাতালে পরীক্ষা নিরীক্ষার পর জানানো হয়, বাবার স্ট্রোক হয়েছে। সেই মতো চিকিৎসা শুরু হয়। স্যালাইন ও ইঞ্জেকশন দেওয়ার জন্য প্রথমে ডানহাতে চ্যানেল করা হয়েছিল। পরে বাঁ হাতে চ্যানেল করা হয়। কিন্তু সেখান থেকে রক্ত বেরিয়ে আসতে থাকে। বলার পর ফের বাঁ হাতে আরও একটি চ্যানেল করা হয়। ওই চ্যানেল করতেই ফোস্কা পড়তে থাকে হাতে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তা বীভৎস আকার ধারণ করে। যত সময় যাচ্ছে, ততই ফোস্কা বড় হচ্ছে। সঙ্গে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়েছে। কেন এমন পরিস্থিতি হল, তা নিয়ে চিকিৎসকদের কাছে জানতে চাইলে তাঁরা বলছেন, ত্বকের সংক্রমণ থেকে এটা হয়েছে।
রোগীর ছেলের প্রশ্ন, ত্বকের সংক্রমণ থেকে ফোস্কা পড়লে একই হাতে দ্বিতীয়বার চ্যানেল করার পরই তা হল কেন? বিষয়টি নিয়ে শনিবার মেডিক্যালের এমএসভিপি’র কাছে লিখিত অভিযোগ জানাতে যান রোগীর পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু এমএসভিপির অফিস বন্ধ থাকায় তাঁরা অভিযোগ জানাতে পারেননি। এরপর তাঁরা চলে আসেন জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানায়। সেখান থেকে বলে দেওয়া হয়, হাসপাতালেই এই অভিযোগ জানাতে হবে। থানা এ ব্যাপারে কোনও অভিযোগ নিতে পারবে না।
রোগীর ছেলে প্রবীর সরকারের বক্তব্য, সোমবারের আগে এমএসভিপি’র অফিস খুলবে না। এর মধ্যে যদি বাবার কিছু হয়ে যায়, তাহলে কোথায় অভিযোগ জানাব? সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে গিয়ে এমন পরিস্থিতি হবে ভাবতে পারিনি।
ময়নাগুড়ি থানার দক্ষিণ ভূষকাডাঙার বাসিন্দা ৬৫ বছরের বৃদ্ধ পরিমল সরকার। জ্বর ও বমি নিয়ে গত ৩ ডিসেম্বর ভর্তি হন জলপাইগুড়ি মেডিক্যালে। রোগীর ছেলে প্রবীর সরকারের দাবি, হাসপাতালে পরীক্ষা নিরীক্ষার পর জানানো হয়, বাবার স্ট্রোক হয়েছে। সেই মতো চিকিৎসা শুরু হয়। স্যালাইন ও ইঞ্জেকশন দেওয়ার জন্য প্রথমে ডানহাতে চ্যানেল করা হয়েছিল। পরে বাঁ হাতে চ্যানেল করা হয়। কিন্তু সেখান থেকে রক্ত বেরিয়ে আসতে থাকে। বলার পর ফের বাঁ হাতে আরও একটি চ্যানেল করা হয়। ওই চ্যানেল করতেই ফোস্কা পড়তে থাকে হাতে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তা বীভৎস আকার ধারণ করে। যত সময় যাচ্ছে, ততই ফোস্কা বড় হচ্ছে। সঙ্গে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়েছে। কেন এমন পরিস্থিতি হল, তা নিয়ে চিকিৎসকদের কাছে জানতে চাইলে তাঁরা বলছেন, ত্বকের সংক্রমণ থেকে এটা হয়েছে।
রোগীর ছেলের প্রশ্ন, ত্বকের সংক্রমণ থেকে ফোস্কা পড়লে একই হাতে দ্বিতীয়বার চ্যানেল করার পরই তা হল কেন? বিষয়টি নিয়ে শনিবার মেডিক্যালের এমএসভিপি’র কাছে লিখিত অভিযোগ জানাতে যান রোগীর পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু এমএসভিপির অফিস বন্ধ থাকায় তাঁরা অভিযোগ জানাতে পারেননি। এরপর তাঁরা চলে আসেন জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানায়। সেখান থেকে বলে দেওয়া হয়, হাসপাতালেই এই অভিযোগ জানাতে হবে। থানা এ ব্যাপারে কোনও অভিযোগ নিতে পারবে না।
রোগীর ছেলে প্রবীর সরকারের বক্তব্য, সোমবারের আগে এমএসভিপি’র অফিস খুলবে না। এর মধ্যে যদি বাবার কিছু হয়ে যায়, তাহলে কোথায় অভিযোগ জানাব? সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে গিয়ে এমন পরিস্থিতি হবে ভাবতে পারিনি।



