Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

স্যালাইন কাণ্ডের মাঝেই উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে ডিসেম্বরে সামনে এল ৫ প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনা

স্যালাইন কাণ্ডের মাঝেই উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে ডিসেম্বরে সামনে এল ৫ প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনা
  • ১৪ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: স্যালাইন কাণ্ডের মধ্যেই ফের নতুন করে বিতর্কে জড়াল উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। গত ডিসেম্বর মাসে পাঁচজন প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে এখানে। গত বছর মে মাসে ১৫ জন প্রসূতির মৃত্যুর হয়েছিল। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অস্বাভাবিক হারে প্রসূতি মৃত্যুর ঘটনায়  রাজ্যজুড়ে শোরগোল পড়েছিল। প্রসূতির মৃত্যুর হার নিয়ন্ত্রণে আনতে স্বাস্থ্যদপ্তরের নির্দেশে সবরকম ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছিল। এই অস্বাভাবিক হারে প্রসূতি মৃত্যুর ঘটনায় সম্প্রতি মেদিনীপুরে প্রসূতি মৃত্যুতে ব্যবহৃত স্যালাইনের যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছিল। তারপর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। সবকিছু থিতিয়ে যেতেই  বিষ স্যালাইন ব্যবহারে মেদিনীপুরে এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগে রাজ্যজুড়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।  গত বছর মে মাসে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যে ১৫ জন প্রসূতির মৃত্যু হয়েছিল তাদের ওই বিশেষ ধরনের স্যালাইন ব্যবহার করা হয়েছিল বলে জানান হাসপাতাল সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক। এর মাঝে গত ডিসেম্বর মাসে পাঁচজন প্রসূতির মৃত্যুতে ফের উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে প্রসূতি বিভাগের পরিষেবা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সুপার বলেন, ডিসেম্বর মাসে যে পাঁচজন প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে তাঁদের নিষিদ্ধ স্যালাইন ব্যবহার করা হয়নি। গত বছর মে মাসে ১৫ জন প্রসূতির মৃত্যুর পর থেকে ওই স্যালাইন ব্যবহার করা হচ্ছ না। গত মাসে যে পাঁচজন প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে তাঁদের প্রায় সকলেই কোমর্বিডিটি ছিলেন। প্রসূতি বিভাগের ভর্তি হওয়ার পর মেডিসিন সহ অন্যান্য বিভাগে কয়েকজনকে ভর্তি করে চিকিৎসা করা হচ্ছিল। এঁদের অনেকেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় অন্যান্য জায়গা থেকে রেফার হয়ে এসেছিলেন। কাজেই এই পাঁচজন প্রসূতি মৃত্যুর ক্ষেত্রে বিশেষ ধরনের স্যালাইন ব্যবহারে কোনও বিতর্ক নেই। সুপার আরও জানান, গত বছর মে মাসে ১৫ জন প্রসূতির মৃত্যুর কিছু সম্ভাব্য কারণ চিহ্নিত করে পদক্ষেপ করা হয়েছিল তারমধ্যেই বিতর্কিত স্যালাইন ব্যবহার বন্ধ করা অন্যতম ছিল। 
Advertisement
সেই স্যালাইনের ব্যবহার বন্ধ করে স্যালাইনের কিছু  নমুনা আমরা স্বাস্থ্যভবনে পাঠিয়েছিলাম। ওই স্যালাইন ব্যবহারের ফলেই অস্বাভাবিক হারে প্রসূতির মৃত্যু হয়েছিল কি না তা জানার জন্য। যদিও স্বাস্থ্য ভবন থেকে সেই সম্পর্কে কোনও নেতিবাচক রিপোর্ট আমাদের কাছে আসেনি। তবু সবকিছু বিচার করে আমরা প্রসূতি বিভাগে ওই বিতর্কিত  স্যালাইন ব্যবহার বন্ধ রেখেছিলাম। 
সম্পর্কিত সংবাদ