সংবাদদাতা, সাঁইথিয়া: সিউড়িতে বেলাগাম টোটো চলাচলে রাশ টানতে পুরসভা ও প্রশাসন উদ্যোগী হয়েছে। কিন্তু প্রশাসনিক ভবনের সামনেই রাস্তায় যেখানে সেখানে টোটো দাঁড়িয়ে থাকা, যাত্রী ওঠানো-নামানোর ছবি দেখা যাচ্ছে। ফলে দিনের ব্যস্ত সময়ে মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কার্যালয় থেকে প্রশাসন ভবন মোড় পর্যন্ত রাস্তায় মাঝেমধ্যেই যানজট হচ্ছে। একে বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো বলে কটাক্ষ করেছেন পথচারীরা।
Advertisement
পুরসভার চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমাদের তরফে টোটোয় কিউআর কোড লাগানো চলছে। যান নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে পুলিসের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
মাসখানেক আগে সিউড়িতে টোটো নিয়ন্ত্রণে খোদ জেলাশাসক কিউআর কোড উদ্বোধন করেন। কিন্তু টোটোয় কিউআর কোড লাগানো তো দূর অস্ত, এখনও শহরের রাস্তায় বেলাগাম টোটো চলাচলে কোনও রাশই টানতে পারেনি প্রশাসন। সাইকেল চালক প্রশান্ত পাল বলেন, মাঝেমধ্যেই রাস্তায় যানজট হচ্ছে। কারণ যেখানে সেখানে টোটো দাঁড় করিয়ে রাখা হচ্ছে। প্রশাসন ভবনের সামনের রাস্তাতেই যদি এরকম যানজট হয়, তাহলে শহরের অন্য রাস্তায় তো চলাই দুস্কর হয়ে পড়বে। তবে শুধু টোটোচালকদের জন্যই যানজট হচ্ছে-এমনটা নয়। প্রশাসন ভবনের সামনের ফুটপাতে সব্জি, শীতবস্ত্র বিক্রি হয়। অনেকেই রাস্তায় গাড়ি দাঁড় করিয়ে সেসব কেনাকাটা করেন। এতে যানজট আরও বেড়ে যায়। মাঝেমধ্যে দু’একজন সিভিক ভলান্টিয়ার থাকলেও তারা ঠিকমতো যান নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। ফলে অফিসযাত্রী, স্কুলের ছাত্রছাত্রী সহ বহু মানুষ সমস্যায় পড়েন।
এক অফিসযাত্রী বলেন, শহরের বিভিন্ন রাস্তায় যানজটের কারণে এমনিতেই অফিস পৌঁছতে দেরি হয়। তার উপর অফিসে ঢোকার মুখে প্রশাসন ভবনের রাস্তায় এমন যানজটে খুবই অসুবিধা হয়। এমনিতেই সিউড়ির রাস্তাঘাট সংকীর্ণ। তার উপর যেখানে সেখানে টোটো ঢুকে পড়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ছে।
মাসখানেক আগে সিউড়িতে টোটো নিয়ন্ত্রণে খোদ জেলাশাসক কিউআর কোড উদ্বোধন করেন। কিন্তু টোটোয় কিউআর কোড লাগানো তো দূর অস্ত, এখনও শহরের রাস্তায় বেলাগাম টোটো চলাচলে কোনও রাশই টানতে পারেনি প্রশাসন। সাইকেল চালক প্রশান্ত পাল বলেন, মাঝেমধ্যেই রাস্তায় যানজট হচ্ছে। কারণ যেখানে সেখানে টোটো দাঁড় করিয়ে রাখা হচ্ছে। প্রশাসন ভবনের সামনের রাস্তাতেই যদি এরকম যানজট হয়, তাহলে শহরের অন্য রাস্তায় তো চলাই দুস্কর হয়ে পড়বে। তবে শুধু টোটোচালকদের জন্যই যানজট হচ্ছে-এমনটা নয়। প্রশাসন ভবনের সামনের ফুটপাতে সব্জি, শীতবস্ত্র বিক্রি হয়। অনেকেই রাস্তায় গাড়ি দাঁড় করিয়ে সেসব কেনাকাটা করেন। এতে যানজট আরও বেড়ে যায়। মাঝেমধ্যে দু’একজন সিভিক ভলান্টিয়ার থাকলেও তারা ঠিকমতো যান নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। ফলে অফিসযাত্রী, স্কুলের ছাত্রছাত্রী সহ বহু মানুষ সমস্যায় পড়েন।
এক অফিসযাত্রী বলেন, শহরের বিভিন্ন রাস্তায় যানজটের কারণে এমনিতেই অফিস পৌঁছতে দেরি হয়। তার উপর অফিসে ঢোকার মুখে প্রশাসন ভবনের রাস্তায় এমন যানজটে খুবই অসুবিধা হয়। এমনিতেই সিউড়ির রাস্তাঘাট সংকীর্ণ। তার উপর যেখানে সেখানে টোটো ঢুকে পড়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ছে।



