নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ সিউড়িবাসী। অথচ পুরসভার দাবি, মশা নিধনের কাজে কোনও ত্রুটি রাখা হচ্ছে না। সাফাইয়ের কাজ চলছে। এছাড়াও প্রতিটি ওয়ার্ডে নিয়মমাফিক সপ্তাহে দু’দিন করে স্প্রে করার কাজ চলছে। যদিও পুরসভার একাংশ কর্মীরা জানিয়েছেন, বিগত কয়েকদিন ধরে শহরের পাঁচটি ওয়ার্ডের স্প্রে মেশিন বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই পুরসভার কথা ও কাজে যে মিল নেই, তার প্রমাণ মশার উপদ্রব। এনিয়ে পুরসভা এলাকার সাধারণ মানুষ কটাক্ষ করতে ছাড়ছেন না। শহরবাসীর একাংশের বক্তব্য, পুরসভা কাজ করলেও তার বাস্তব প্রতিফলন সেভাবে চোখে পড়ছে না। তাই মশার কামড়ে বাসিন্দাদের প্রাণ ওষ্ঠাগত।
Advertisement
সিউড়ি পুরসভার তরফে জানা গিয়েছে, শহরের ২১টি ওয়ার্ডে একটি করে স্প্রে মেশিন রয়েছে। তার মধ্য আবার পাঁচটি মেশিন বেশকিছুদিন ধরেই খারাপ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ফলত ২, ১১, ১৩, ১৪ ও ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে গত এক সপ্তাহ ধরে মশা নিধনে স্প্রে করার কাজ থমকে রয়েছে। ঘটনায় অন্যান্য ওয়ার্ডের তুলনায় ওই পাঁচটি ওয়ার্ডে মশার উপদ্রব কিছুটা হলেও বেশি রয়েছে। স্বাভাবিকভাবে ইস্থানীয় বাসিন্দারা পুরসভার ভূমিকায় ক্ষুব্ধ। যদিও পুরসভা কর্তৃপক্ষের দাবি, দ্রুত ওই পাঁচটি ওয়ার্ডেও মশা নিধনে দ্রুত স্প্রে করার কাজ শুরু হবে। মেশিনগুলি মেরামতের বিষয়ে নজর দেওয়া হয়েছে। আজ, শুক্রবার থেকেই ওই স্প্রে মেশিনগুলি কার্যকর হবে।
মশার অত্যাচারে আমজনতার সীমাহীন দুর্দশার কথা সম্প্রতি বর্তমান পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এরপরই তড়িঘড়ি পুরসভা কর্তৃপক্ষ বৈঠকে বসে। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার পুরসভার তরফে প্রতিটি ওয়ার্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মীদের হাতে মশা নিধনে ‘টেমিফসইসি-৫০ শতাংশ সহ বিটিআই-১৬৪ও বিটিআইএভিল’ ওষুধ তুলে দেওয়া হয়েছে। আগামীতে সেসব পুর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে স্প্রে করা হবে বলে জানা গিয়েছে। পুরসভার তরফে জানা গিয়েছে, মশা নিধনের পাশাপাশি ডেঙ্গু মোকাবিলায় বছরের শুরু থেকেই কাজ শুরু হয়েছে।
শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সমন্বয় পল্লির বাসিন্দা বরুণকুমার দাস বলেন, বিগত বছর এইসময়ে মশা নিধনে দু-একবার স্প্রে করা হয়েছিল। একাধিকবার ব্লিচিং ছড়ানোর কাজও নজরে এসেছিল। কিন্তু এবছর মশার উপদ্রব বাড়লেও শুরু থেকেই পুরসভার কোনও উদ্যোগ সেভাবেনজরে পড়েনি। হতে পারে শহরের প্রধান এলাকা গুলিতে নজর রাখা হচ্ছে। তবে অধিকাংশ এলাকা ব্রাত্যই থেকে যাচ্ছে। পুরসভার চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডে নজর রাখা হচ্ছে। কোনও ওয়ার্ডে স্প্রে না করার অভিযোগ এলে স্থানীয় কাউন্সিলার সহ স্যানিটারি ইন্সপেক্টরকে শোকজ করা হবে
মশার অত্যাচারে আমজনতার সীমাহীন দুর্দশার কথা সম্প্রতি বর্তমান পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এরপরই তড়িঘড়ি পুরসভা কর্তৃপক্ষ বৈঠকে বসে। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার পুরসভার তরফে প্রতিটি ওয়ার্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মীদের হাতে মশা নিধনে ‘টেমিফসইসি-৫০ শতাংশ সহ বিটিআই-১৬৪ও বিটিআইএভিল’ ওষুধ তুলে দেওয়া হয়েছে। আগামীতে সেসব পুর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে স্প্রে করা হবে বলে জানা গিয়েছে। পুরসভার তরফে জানা গিয়েছে, মশা নিধনের পাশাপাশি ডেঙ্গু মোকাবিলায় বছরের শুরু থেকেই কাজ শুরু হয়েছে।
শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সমন্বয় পল্লির বাসিন্দা বরুণকুমার দাস বলেন, বিগত বছর এইসময়ে মশা নিধনে দু-একবার স্প্রে করা হয়েছিল। একাধিকবার ব্লিচিং ছড়ানোর কাজও নজরে এসেছিল। কিন্তু এবছর মশার উপদ্রব বাড়লেও শুরু থেকেই পুরসভার কোনও উদ্যোগ সেভাবেনজরে পড়েনি। হতে পারে শহরের প্রধান এলাকা গুলিতে নজর রাখা হচ্ছে। তবে অধিকাংশ এলাকা ব্রাত্যই থেকে যাচ্ছে। পুরসভার চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডে নজর রাখা হচ্ছে। কোনও ওয়ার্ডে স্প্রে না করার অভিযোগ এলে স্থানীয় কাউন্সিলার সহ স্যানিটারি ইন্সপেক্টরকে শোকজ করা হবে



