সংবাদদাতা, সিউড়ি: সিউড়িতে দৃষ্টিহীনদের স্কুলে গিয়ে পড়ুয়া ও শিক্ষকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠল প্রশাসনিক আধিকারিকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ পেয়ে সোমবার সেই স্কুলে গিয়ে সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন জেলাশাসক। পড়ুয়ারা তাঁর কাছে সেই আধিকারিকের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তোলেন। সিউড়ির ডাঙালপাড়ার অরবিন্দ ইনস্টিটিউট ফর সাইটলেস স্কুলের ঘটনা।
Advertisement
এই স্কুলে কোনও সরকারি স্থায়ী শিক্ষক নেই। বহিরাগত বেশ কয়েকজন শিক্ষক বিনা পারিশ্রমিকে পাঠদান করেন। এই শিক্ষকদের সাহায্যে স্কুল চালানোর অনুমতি দিয়েছিলেন জেলাশাসক নিজেই। কিন্তু গত শুক্রবার জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক ওই স্কুলে যান। অভিযোগ, ওই আধিকারিক শিক্ষক ও পড়ুয়াদের দৃষ্টিহীনতা নিয়ে কটূক্তি করেন। সেইসঙ্গে বাইরের শিক্ষকদের পড়াতে আসা বন্ধ করতে টিচার-ইনচার্জকে নির্দেশ দেন। এই ঘটনার পর ওই শিক্ষকরা অপমানিত বোধ করে স্কুলে আসা বন্ধ করে দিয়েছেন। বিষয়টি কানে যেতেই সোমবার রাতে স্কুলে হাজির হন জেলাশাসক। তিনি টিচার-ইনচার্জ ও পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলেন। পড়ুয়াদের সঙ্গে গলা মিলিয়ে গান গাইতেও দেখা যায় তাঁকে। পড়ুয়ারা তাঁর কাছে ওই আধিকারিকের বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্যের অভিযোগ জানায়।
টিচার ইনচার্জ সন্দীপ দাস বলেন, স্কুলে স্থায়ী সরকারি শিক্ষক নেই। তাই বাইরে থেকে এসে কয়েকজন শিক্ষক বিনা পারিশ্রমিকে পাঠদান করেন। জেলাশাসকই এই নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু ওই আধিকারিক এসে বলেন, ওই নির্দেশ কার্যকর করা যাবে না। তাই অতিথি শিক্ষকরা অপমানিত হয়ে আর স্কুলে আসছেন না। জেলাশাসক জানিয়েছেন, স্কুল যেভাবে চলছে সেভাবেই চলবে। ওই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।জেলাশাসক বলেন, এই পড়ুয়ারা অদম্য মনোবলে বাড়ি থেকে এত দূরে পড়াশোনা করতে আসছে। আমি ওদের সঙ্গে গানে গলা মেলালাম। ওরা এক আধিকারিকের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছে। আমি তদন্ত করে কড়া ব্যবস্থা নেব।
টিচার ইনচার্জ সন্দীপ দাস বলেন, স্কুলে স্থায়ী সরকারি শিক্ষক নেই। তাই বাইরে থেকে এসে কয়েকজন শিক্ষক বিনা পারিশ্রমিকে পাঠদান করেন। জেলাশাসকই এই নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু ওই আধিকারিক এসে বলেন, ওই নির্দেশ কার্যকর করা যাবে না। তাই অতিথি শিক্ষকরা অপমানিত হয়ে আর স্কুলে আসছেন না। জেলাশাসক জানিয়েছেন, স্কুল যেভাবে চলছে সেভাবেই চলবে। ওই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।জেলাশাসক বলেন, এই পড়ুয়ারা অদম্য মনোবলে বাড়ি থেকে এত দূরে পড়াশোনা করতে আসছে। আমি ওদের সঙ্গে গানে গলা মেলালাম। ওরা এক আধিকারিকের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছে। আমি তদন্ত করে কড়া ব্যবস্থা নেব।



