Bartaman Logo
১৫ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ধ্যানে-জ্ঞানে নেতাজি, স্বপ্নাদেশ পেয়ে ৩০ বছর সুভাষের পুজো অশীতিপর সুশীলের

স্বপ্নাদেশ পেয়ে ৩০ বছর ধরে নেতাজির পুজো করে আসছেন ময়নাগুড়ির সুশীল দেবনাথ। অশীতিপর সুশীল দেবনাথের ধ্যান-জ্ঞানে বিরাজমান নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। এই দেশনায়ককে তিনি দেবতার আসনে বসিয়েছেন।

ধ্যানে-জ্ঞানে নেতাজি, স্বপ্নাদেশ পেয়ে ৩০ বছর সুভাষের পুজো অশীতিপর সুশীলের
  • ১৫ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সোমনাথ চক্রবর্তী, ময়নাগুড়ি: স্বপ্নাদেশ পেয়ে ৩০ বছর ধরে নেতাজির পুজো করে আসছেন ময়নাগুড়ির সুশীল দেবনাথ। অশীতিপর সুশীল দেবনাথের ধ্যান-জ্ঞানে বিরাজমান নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। এই দেশনায়ককে তিনি দেবতার আসনে বসিয়েছেন। বৃদ্ধ বলেন, রেলের জমিতে রয়েছি। হয়তো কোনোদিন এই জমি থেকে উঠে যেতে হবে। তখন ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবিকা অর্জন করব। কিন্তু, নেতাজির পুজো ছাড়ব না। 

Advertisement

অসমে থাকাকালীন সুশীল দেবনাথ শুরু করেন দেশনায়ক নেতাজির পুজো। পরবর্তীতে তিনি পশ্চিমবঙ্গে চলে আসেন। ময়নাগুড়ির সাহাপাড়ায় এসেও ছোট ঘরে নেতাজির ছবি দিয়ে পুজো করে আসছেন। এখন সুশীলবাবুর বয়স ৮০ বছর পেরিয়ে গিয়েছে। এই বয়সেও ১৫ আগস্ট কিংবা নেতাজির জন্মজয়ন্তী ২৩ জানুয়ারি বড়ো করে পুজো করেন, প্রতিবেশীদের প্রসাদ বিতরণ করেন। পুজো দেখতে দূরদূরান্ত থেকে আসে প্রচুর মানুষ। 
সুশীলবাবু এই বয়সেও দিনমজুরির কাজ করেন। কোনোক্রমে চলে তাঁর সংসার। কাঁচা বাড়িতে স্ত্রীকে নিয়ে থাকেন। তিনি চান, সরকার শ্বেতপাথরের মূর্তি ও মন্দির নেতাজির জন্য গড়ে তুলুক এই জমিতে।
ওই বৃদ্ধ বলেন, আমি অসমে কাজ করতাম। একদিন হঠাৎ স্বপ্নে নেতাজিকে দেখি। সাতদিন কেটে যাওয়ার পর ফের স্বপ্নে দেখেছি নেতাজিকে ঘোড়ার পিঠে। তিনি আমাকে বলেছিলেন, পুজোর বিষয়ে। এরপর থেকেই সুভাষের পুজো করে আসছি। অসম থেকে চলে এসেছি, কিন্তু পুজো থামেনি। যতদিন বেঁচে থাকব নেতাজির পুজো করব। ১৫ আগস্ট সকাল ৭টায় পুজো শুরু হবে। প্রতিবেশীদের প্রসাদ ও শিশুদের চকোলেট দেব। ২৩  জানুয়ারি বড়ো করে পুজোর আয়োজন করি। 
তাঁর স্ত্রী রমা দেবনাথ বলেন, স্বামী স্বপ্নাদেশ পেয়ে এই পুজো শুরু করেন। প্রতিদিনই পুজো হয় নেতাজির। বিশেষ দু’টি দিনে প্রচুর মানুষ আসে বাড়িতে।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ