Bartaman Logo
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নিষিদ্ধ কীটনাশক মিললেই সার ব্যবসায়ীর লাইসেন্স বাতিল, হুঁশিয়ারি কৃষি দপ্তরের

সার ব্যবসায়ীদের দোকানে নিষিদ্ধ কীটনাশক পাওয়া গেলেই এইবার থেকে কড়া পদক্ষেপ নেবে কৃষি দপ্তর

নিষিদ্ধ কীটনাশক মিললেই সার ব্যবসায়ীর লাইসেন্স বাতিল, হুঁশিয়ারি কৃষি দপ্তরের
  • ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:৫৮
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: সার ব্যবসায়ীদের দোকানে নিষিদ্ধ কীটনাশক পাওয়া গেলেই এইবার থেকে কড়া পদক্ষেপ নেবে কৃষি দপ্তর। বাতিল করা হবে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীর লাইসেন্স। পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে আইনানুগ ব্যবস্থা। আজ মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি জেলা কৃষি দপ্তরের পক্ষ থেকে এমনই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে সমস্ত ব্যবসায়ীদের। 

Advertisement

অন্যদিকে ময়নাগুড়িতে পরপর দুটি চা বাগানে নিষিদ্ধ কীটনাশক ব্যবহারের অভিযোগ সামনে আসার পরই তৎপর প্রশাসন। রামসাই ও দোমহনি-২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় নিষিদ্ধ কীটনাশক প্রয়োগের অভিযোগে দুইজন কৃষককে হাতেনাতে ধরেন এলাকাবাসীরা। এই ঘটনার পর ওই দুটি চা বাগানে পাতা তোলা এবং বিক্রয় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এই ঘটনায় এক ব্যবসায়ীর নাম উঠে আসায় তাঁকে শোকজ করেছে কৃষি দপ্তর। ইতিমধ্যেই জলপাইগুড়ি জেলা জুড়ে নজরদারি শুরু করেছে কৃষি দপ্তরের আধিকারিকরা। বিভিন্ন সার ও কীটনাশক ব্যবসায়ীদের দোকানে গিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছেন তাঁরা। স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর হওয়ায় সরকারিভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে কীটনাশক। আর ঠিক সেই কারণেই প্রশ্ন উঠছে সরকারিভাবে নিষিদ্ধ হওয়া এই কীটনাশক কৃষকদের হাতে পৌঁছল কীভাবে? অভিযুক্ত কৃষকদের দাবি, তাঁরা প্রায় এক বছর আগে ওই কীটনাশক কিনেছিলেন। ফলে নিষিদ্ধ হওয়ার পরেও কীভাবে তা বাজারে থেকে গেল, তা নিয়ে তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। জলপাইগুড়ি জেলা কৃষি দপ্তরের এক আধিকারিক জানান, শুধু ময়নাগুড়ি নয়, সমগ্র জেলা জুড়েই নজরদারি শুরু হয়েছে। বিভিন্ন ব্যবসায়ীর দোকানে গিয়ে আমরা পরীক্ষা করছি। কোনো দোকানে নিষিদ্ধ কীটনাশক পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীর লাইসেন্স বাতিল করা হবে। পাশাপাশি কড়া আইনানুগ ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। 

 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ