Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

চোট অতীত, এশিয়া কাপে সেরা ছন্দে দেখা যাবে সূর্যকে

একটা সময় মনে হয়েছিল, তাঁর পক্ষে এশিয়া কাপ খেলা সম্ভব হবে না। নির্বাচকরা বিকল্প চিন্তাভাবনাও শুরু করে দিয়েছিলেন

চোট অতীত, এশিয়া কাপে সেরা ছন্দে দেখা যাবে সূর্যকে
  • ২৭ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: একটা সময় মনে হয়েছিল, তাঁর পক্ষে এশিয়া কাপ খেলা সম্ভব হবে না। নির্বাচকরা বিকল্প চিন্তাভাবনাও শুরু করে দিয়েছিলেন। কিন্তু যাবতীয় আশঙ্কা উড়িয়ে শেষ পর্যন্ত এশিয়া কাপ স্কোয়াডে জায়গা করে নেন সূর্যকুমার যাদব। নেতৃত্বের ব্যাটনও তাঁর হাতেই। তবে সূর্যের কামব্যাক সহজ ছিল না। ধাপে ধাপে সুস্থ হয়েছেন তিনি। গত পাঁচ-সপ্তাহ কীভাবে নিজেকে ফিট করেছেন সেই গল্প শুনিয়েছেন মুম্বইকর। ‘আইপিএলের শেষ দিকে আমার চোট ধরা পড়েছিল। বুঝতে পারছিলাম সমস্যা বেশ কঠিন। এমআরআই করানোর পর জানতে পারি, স্পোর্টস হার্নিয়া হয়েছে। চিকিৎসা করাতে জার্মানি যাই। সেখানেই হয় অস্ত্রোপচার। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ফিট হতে কমপক্ষে ছ’সপ্তাহ সময় লাগবে। তাই তাড়াহুড়ো না করে ধাপে ধাপে চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করাই ছিল লক্ষ্য।’

Advertisement

বেঙ্গালুরুতে বোর্ডের নবনির্মিত সেন্টার অফ এক্সেলেন্সেই রিহ্যাব করেন সূর্যকুমার। সেখানকার চিকিৎসক, ফিজিওরা রিহ্যাবের রুটিন তৈরি করে দিয়েছিলেন। আসলে সামান্য ভুলভ্রান্তি হলে তাঁর ক্রিকেট কেরিয়ারই প্রশ্নের মুখে পড়ত। তাই সূর্যকে নিয়ে ‘ধীরে চলো’ নীতি নিয়েছিলেন সেন্টার অব এক্সেলেন্সের ট্রেনাররা। প্রতি সপ্তাহে রিহ্যাবের পর হতো মূল্যায়ন। সেই মতো তৈরি করা হতো পরের রুটিন। এই প্রসঙ্গে সূর্য বলেন, ‘শুরুটা হয়েছিল ইন্ডোর ট্রেনিং ও জিম সেশন দিয়ে। কোমরে দড়ি বেঁধে দৌড়, ভারোত্তোলন, স্টিপলচেজের মতো অনেক কিছুই করতে হয়েছে। আমার রিহ্যাবের উপর কড়া নজর রাখতেন ফিজিও। কিছু ত্রুটি চোখে পড়লেই তিনি ধরিয়ে দিতেন। আমাদের নতুন ট্রেনিং সেন্টারের পরিকাঠামো বিশ্বমানের। একসঙ্গে ৩০-৪০জন জিম করতে পারে। ট্রেনিংয়ের সব সুবিধাই কাজে লাগিয়েছি।’
প্রায় দু’সপ্তাহ ফিজিক্যাল ট্রেনিংয়ের পর অনুমতি মিলেছিল নেট সেশনের। এই বিষয়ে সূর্যর বক্তব্য, ‘এক ছাদের তলায় সব সুবিধা থাকায় দ্রুত ফিট হয়েছি। জিম শেষ করে ঢুকে পড়তাম নেটে। একটা বা দুটো নয়, একসঙ্গে ৫০-৬০টা পিচ তৈরি আছে। আলাদা আলাদা চরিত্র। কোনওটা স্পিনের জন্য, কোনওটা পেসের। কোথাও বাউন্স বেশি, কোথাও আবার বল পড়ে নীচু হচ্ছে। এই ধরনের পিচগুলো ব্যবহার করে নিজেকে ম্যাচ কন্ডিশনে আনতে আমার সুবিধা হয়েছিল। সেন্টার অফ এক্সেলেন্সের নিজস্ব টিম রয়েছে। তাদের সঙ্গে ম্যাচ খেলেছি। তখনও আমার ব্যাটিংয়ের পুরো ভিডিওগ্রাফি করা হয়েছে। কোথায় কোথায় ভুল হচ্ছে, সেটা দেখিয়ে দেওয়া হতো আমাকে। আগের মতো আমি স্বচ্ছন্দে সব শট খেলতে পারছি কিনা, সেটাও পরীক্ষা করেছেন কোচেরা। তার পরেই মিলেছে ছাড়পত্র। সত্যি বলতে কী, ওই পাঁচ-ছয় সপ্তাহ আমার ক্রিকেট জীবন অনেকটাই বদলে দিয়েছে। সাময়িক বিরতির পর ক্রিকেট দুনিয়া সূর্যকুমারের দ্বিতীয় ভার্সন দেখতে পাবেন।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ