Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

ইস্ট বেঙ্গলকে রুখে দিল সুরুচি সঙ্ঘ

প্রথম ম্যাচে দুর্বল মেসারার্সকে সাত গোল দিয়েছিল ইস্ট বেঙ্গল। লাল-হলুদ সমর্থকরা সেদিন হাসতে হাসতে বাড়ির পথ ধরেন।

ইস্ট বেঙ্গলকে রুখে দিল সুরুচি সঙ্ঘ
  • ৫ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

শিবাজী চক্রবর্তী, নৈহাটি: প্রথম ম্যাচে দুর্বল মেসারার্সকে সাত গোল দিয়েছিল ইস্ট বেঙ্গল। লাল-হলুদ সমর্থকরা সেদিন হাসতে হাসতে বাড়ির পথ ধরেন। কিন্তু কলকাতা লিগের দ্বিতীয় ম্যাচেই হার বাঁচাতে হল বিনো জর্জের দলকে। ভাগ্য সঙ্গে থাকলে শুক্রবার নৈহাটিতে জিততে পারত সুরুচি সঙ্ঘ। এদিন গুইতের গোলে এগিয়ে যায় মশালবাহিনী। সুরুচিকে সমতায় ফেরান কর্মণ্য বনশল। 
শুক্রবার চোটের কারণে ছিলেন না জেসিন টিকে। মেসারার্সের বিরুদ্ধে নজর কাড়া মনোতোষ মাজিরও একই হাল। তাই গোলগেটার না থাকায় চিন্তার ভাঁজ ছিল লাল-হলুদ কোচের কপালে। মাঝমাঠ জমাট করে ৪-৫-১ ফর্মেশনে দল সাজান তিনি। আসলে মিডল করিডর জমাট রেখে লক্ষ্যভেদই ছিল বিনোর লক্ষ্য। কিন্তু তাঁর পরিকল্পনা বোধহয় আগেভাগেই পড়঩তে পেরেছিলেন সুরুচি কোচ। মাঝমাঠে তন্ময়কে ব্লক করতেই বেশ নিষ্প্রভ লাল-হলুদ ব্রিগেড। দুই উইং হাফ সায়ন ব্যানার্জি ও বিজয় মুর্মু বিপক্ষ রক্ষণে দাঁত ফোটাতে ব্যর্থ। জুনিয়র তকমা ছেড়ে আর কবে বড় হবেন সায়ন? তাঁরই সমসাময়িক পিভি বিষ্ণু। কেরালাইট ফুটবলার কিন্তু তরতরিয়ে এগচ্ছেন। সায়ন আটকে ঘরোয়া লিগে। মোদ্দা কথা, বিরতির আগে বহু কাঙ্ক্ষিত গোল পেলেও ইস্ট বেঙ্গলের খেলা সেভাবে দানা বাধেনি। যাই হোক, ৪৫ মিনিটে লিড নেয় মশালবাহিনী। এক্ষেত্রে মাঝমাঠ থেকে গুইতেকে পাস বাড়িয়েছিলেন নাসিব। সুরুচির স্টপার বলরাম মান্ডির ভুলে ফাঁকায় বল পান গুইতে। প্রতিপক্ষ গোলরক্ষককে কাটিয়ে জাল কাঁপান তিনি (১-০)।
এক গোলের ব্যবধান কখনো নিরাপদ নয়। বিরতির পর সুরুচি গোলরক্ষককে একা পেয়েও গোল করতে পারলেন না আমন। গোল তো এলই না। উল্টে প্রতিপক্ষ চাপ বাড়াতেই ঠকঠকিয়ে কাঁপল বিনোর দল। ৪৯ মিনিটে চমৎকার প্রতি-আক্রমণে সমতা ফেরায় সুরুচি। হাওকিপের মাইনাস শরীর ছুড়ে টোকা দিয়ে জালে পাঠান কর্মণ্য বনসল(১-১)। এর কিছুক্ষণ পরেই ডিমপ্লে ভগতের ২৫ গজের দূরপাল্লার শট লাল-হলুদ পোস্ট কাঁপিয়ে বাইরে যায়।  ৬৮ মিনিটে সুমন দে’কে ফাউল করে লাল কার্ড দেখেন সুরুচির বাবলু ওঁরাও। সংযোজিত সময় ধরলে বাকি ২৮ মিনিট দশজনের প্রতিপক্ষকে পেয়েও ভেজা মুড়ির মতো মিইয়ে রইল বিনোর দল। ন্যাতানো ইস্ট বেঙ্গলের মতো নৈহাটি স্টেডিয়ামের পারফরম্যান্সও পাতে দেওয়ার মতো নয়। দেরিতে জ্বলে ফ্লাডলাইট। আয়োজনেও কোনও পেশাদারিত্ব নেই। ম্যাচের পর হতাশ বিনো বলেন, ‘ভুল থেকে শিক্ষা নেবে ছেলেরা।’ 
ইস্ট বেঙ্গল: আদিত্য, জোসেফ (রোশাল), মনোতোষ, চাকু, সুমন, তন্ময় (কৌস্তুভ), নাসিব, গুইতে (আজাদ), আমন, সায়ন (বিক্রম) ও বিজয় (অ্যান্ড্রুজ)।

Advertisement

 

ইস্ট বেঙ্গল-  ১     :     সুরুচি সঙ্ঘ-১
(গুইতে)                                               (কর্মণ্য)

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ