Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দুবরাজপুর গ্রামীণ হাসপাতালেই ছানি অপারেশন, তৈরি হবে আই ওটি

দুবরাজপুর গ্রামীণ হাসপাতালেই ছানি অপারেশন, তৈরি হবে আই ওটি
  • ৯ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: এবার দুবরাজপুর গ্রামীণ হাসপাতালেই হবে ছানি অপারেশন। রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে ওই গ্রামীণ হাসপাতালে স্যাটেলাইট আই ওটি গড়ে তোলার সবুজ সংকেত মিলেছে। দ্রুত টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ করে হাসপাতাল ভবনের নির্দিষ্ট একটি কক্ষে স্যাটেলাইট আই ওটি গড়ে তোলা হবে। এক্ষেত্রে আনুমানিক ১৬ লক্ষ টাকা খরচ হবে। সম্পূর্ণ অর্থ খরচ করবে রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তর। 

Advertisement

দুবরাজপুরের বিএমএইচ সলমন মণ্ডল বলেন, বর্তমানে এই হাসপাতালে শুধু ছানি পরীক্ষা সম্ভব। তবে রাজ্যের অনুমোদনের পর স্যাটেলাইট আই ওটি গড়ে উঠলে অভিজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা হাসপাতালেই ছানির অপারেশন সম্ভব হবে। ফলত দুবরাজপুর ব্লক সহ সংলগ্ন এলাকার বহু মানুষ উপকৃত হবে। 
সিউড়ি মহকুমার দুবরাজপুর ব্লকের গ্রামীণ হাসপাতালের গুরুত্ব যথেষ্ট। জরুরিকালীন স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকে শুরু করে মাতৃত্বকালীন সমস্ত ধরনের চিকিৎসা পরিষেবাও পেয়ে থাকেন স্থানীয়রা। সেইসঙ্গে সপ্তাহে একদিন মানসিক রোগীদের চিকিৎসার বন্দোবস্তও রয়েছে। ওই গ্রামীণ হাসপাতালে চোখের চিকিৎসাও হয়। চোখের দৃষ্টিশক্তি কমবেশি হলে হাসপাতালেই পরীক্ষা নিরীক্ষা করে চশমা দেওয়া হয়। এছাড়াও বর্তমান সময়ে অপ্টোমেট্রিস্টরা যন্ত্রের সাহায্যে ছানি শনাক্তকরণের কাজও করেন। তবে ছানির অপারেশনের জন্য ভরসা সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল। তাই ছানি অপারেশনের জন্য সিউড়ি ছুটতে হয় দুবরাজপুর ব্লক সহ সংলগ্ন এলাকার রোগীদের। সমস্যা সমাধানে এবার রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তর উদ্যোগী হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, রাজ্যের ছাড়পত্র মিলতেই হাসপাতাল চত্বরে থাকা প্রায় ৬০০ স্কয়ার ফুটের একটি ঘর স্যাটেলাইট আই ওটির জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হতেই সেখানে দ্রুত ওটি নির্মাণের কাজ শুরু হবে। 
ব্লক স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে জানা গিয়েছে, বর্তমান সময়ে দুবরাজপুর গ্রামীণ হাসপাতালে ছানি অপারেশনের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নেই। সেক্ষেত্রে রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তরের নির্দেশানুসারে সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের চিকিৎসকরা সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে দুবরাজপুর গ্রামীণ হাসপাতালে পরিষেবা দেবেন। অন্যদিকে, ওই গ্রামীণ হাসপাতালে ক্রমশ রোগীদের চাপ বাড়তে থাকায় জরুরি বিভাগকে নতুন করে সাজিয়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, জরুরি বিভাগের জন্য হাসপাতাল চত্বরে নতুন করে ভবন নির্মাণ করা হবে। সেক্ষেত্রে সোমবার পূর্তদপ্তরের কর্তাদের উপস্থিতিতে জমি পরিদর্শনের কাজও হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ