সংবাদদাতা, সাঁইথিয়া: সিউড়ির হুসনাবাদ গ্রাম থেকে তসরকাটা গ্রাম ও পিকনিক স্পট যাওয়ার রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে বেহাল হয়ে পড়েছে। তার উপর বাতিস্তম্ভের আলো না থাকায় সন্ধ্যার পর অন্ধকারে ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করা যায় না। স্থানীয়দের অভিযোগ, পঞ্চায়েতকে বারবার সমস্যার কথা জানানো হলেও সমাধানের কোনও চেষ্টা হয়নি। বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, সিউড়ি সংলগ্ন হুসনাবাদ গ্রাম থেকে তসরকাটা গ্রাম ও পিকনিক স্পট সহ নগরী, মৌল পাঁচকাট সহ একাধিক গ্রামে যাওয়ারজন্য সহজ ও অন্যতম রাস্তা হিসেবে এটিকে ব্যবহার করেন বাসিন্দারা। কিন্তু রাস্তাটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় পিচের আস্তরণ উঠে রাস্তা বেহাল হয়ে পড়েছে। অভিযোগ স্থানীয়দের। ফলে ভাঙা রাস্তার কারণে প্রায় ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে রাতের অন্ধকারে রাস্তা দিয়ে চলাচল করাই দায় হয়ে পড়েছে বাসিন্দাদের।
Advertisement
জনৈক পথচারী তনুশ্রী বিশ্বাস বলেন, আমাদের রাস্তা দিয়ে গাড়ি নিয়ে যেতে খুব অসুবিধা হয়। বিশেষ করে বৃষ্টি হলে রাস্তায় জল জমে থাকার ফলে আমরা সেই সময় রাস্তার গর্ত ঠিকমতো বুঝতে পারি না। সে কারণে ওই গর্তের মধ্যে পড়ে যাওয়ার ভয় থাকে। আমরা চাই দ্রুত রাস্তা সংস্কার করা হোক। কিছুদিন পরেই বড়দিন ও নববর্ষের শুরুতে তসরকাটা পিকনিক স্পটে ভিড় জমাবে পিকনিক পার্টিরা। তাদেরকেও এই ভাঙা রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করতে হবে। ফলে যে কোন সময় ঘটে যেতে পারে দুর্ঘটনা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, যত দ্রুত সম্ভব রাস্তাটি সংস্কার করা হোক সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তরফে। এদিন এলাকায় গিয়ে দেখা গিয়েছে, রাস্তায় পাথর বেরিয়ে এসেছে, কোথাও কোথাও বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। ওই বেহাল রাস্তা দিয়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা সত্ত্বেও বাধ্য হয়ে স্কুল, কলেজের পড়ুয়ারা ছাড়াও এলাকার বাসিন্দাদের যাতায়াত করতে হচ্ছে। এলাকায় আরেকটি বিকল্প রাস্তা থাকলেও সেটি অনেকটাই ঘুরপথ। সে কারণে সেই পথটি সচরাচর কেউ ব্যবহার করেন না। যদিও ওই রাস্তাটি তুলনামূলকভাবে ভালো। স্থানীয় এক বাসিন্দা শেখ বসির বলেন, আমরা অনেকবার রাস্তা সংস্কারের জন্য পঞ্চায়েতকে বলেছি। কিন্তু তা সত্ত্বেও রাস্তা সংস্কারের কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। জানা গিয়েছে, ওই রাস্তাটি দিয়ে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের পড়ুয়ারা যাতায়াত করে।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, গ্রামের অন্যান্য রাস্তার সংস্কার হলেও এই রাস্তাটির আজ পর্যন্ত সংস্কারের কোনও উদ্যোগই দেখা যায়নি। অথচ এই রাস্তাটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন সকলে। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সদরের সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম সহজ পথ হিসেবে এই রাস্তাটি ব্যবহার করে থাকেন নগরী, পাতরা, পাঁচকাট সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা। দিনের বেলায় যেমন তেমন করে যাতায়াত করা গেলেও রাতে সাইকেল বা গাড়ি নিয়ে ভাঙা রাস্তার কারণে ঠিকভাবে চলাচল করা যায় না। একটু অসাবধান হলেই ঘটে যেতে পারে দুর্ঘটনা। দ্রুত রাস্তাটি সংস্কারের কাজ শুরু হলে সকলের উপকার হয়।
এ বিষয়ে সিউড়ি ১ নম্বর ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল বলেন, রাস্তাটি জেলা পরিষদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আমাদের তরফ থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে। আশা করছি, দ্রুত কাজ শুরু হবে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, যত দ্রুত সম্ভব রাস্তাটি সংস্কার করা হোক সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তরফে। এদিন এলাকায় গিয়ে দেখা গিয়েছে, রাস্তায় পাথর বেরিয়ে এসেছে, কোথাও কোথাও বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। ওই বেহাল রাস্তা দিয়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা সত্ত্বেও বাধ্য হয়ে স্কুল, কলেজের পড়ুয়ারা ছাড়াও এলাকার বাসিন্দাদের যাতায়াত করতে হচ্ছে। এলাকায় আরেকটি বিকল্প রাস্তা থাকলেও সেটি অনেকটাই ঘুরপথ। সে কারণে সেই পথটি সচরাচর কেউ ব্যবহার করেন না। যদিও ওই রাস্তাটি তুলনামূলকভাবে ভালো। স্থানীয় এক বাসিন্দা শেখ বসির বলেন, আমরা অনেকবার রাস্তা সংস্কারের জন্য পঞ্চায়েতকে বলেছি। কিন্তু তা সত্ত্বেও রাস্তা সংস্কারের কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। জানা গিয়েছে, ওই রাস্তাটি দিয়ে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের পড়ুয়ারা যাতায়াত করে।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, গ্রামের অন্যান্য রাস্তার সংস্কার হলেও এই রাস্তাটির আজ পর্যন্ত সংস্কারের কোনও উদ্যোগই দেখা যায়নি। অথচ এই রাস্তাটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন সকলে। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সদরের সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম সহজ পথ হিসেবে এই রাস্তাটি ব্যবহার করে থাকেন নগরী, পাতরা, পাঁচকাট সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা। দিনের বেলায় যেমন তেমন করে যাতায়াত করা গেলেও রাতে সাইকেল বা গাড়ি নিয়ে ভাঙা রাস্তার কারণে ঠিকভাবে চলাচল করা যায় না। একটু অসাবধান হলেই ঘটে যেতে পারে দুর্ঘটনা। দ্রুত রাস্তাটি সংস্কারের কাজ শুরু হলে সকলের উপকার হয়।
এ বিষয়ে সিউড়ি ১ নম্বর ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল বলেন, রাস্তাটি জেলা পরিষদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আমাদের তরফ থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে। আশা করছি, দ্রুত কাজ শুরু হবে।



