Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

বেলডাঙায় ইউএপিএ প্রয়োগ নিয়ে এনআইএ-কে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

‘তদন্তে বাধা দিচ্ছি না। তবে এমন কী হল, যাতে রাতারাতি ইউএপিএ-এর ১৫ ধারা কার্যকর করতে হল? এর আগেও তো ওই এলাকায় অনেক বেশি সিরিয়াস ঘটনা ঘটেছে।

বেলডাঙায় ইউএপিএ প্রয়োগ নিয়ে  এনআইএ-কে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের
  • ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ‘তদন্তে বাধা দিচ্ছি না। তবে এমন কী হল, যাতে রাতারাতি ইউএপিএ-এর ১৫ ধারা কার্যকর করতে হল? এর আগেও তো ওই এলাকায় অনেক বেশি সিরিয়াস ঘটনা ঘটেছে। তখন কি এনআইএ (ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেট এজেন্সি) ঘুমোচ্ছিল?’ মুর্শিদাবাদের বেলডডাঙায় এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু ঘিরে অশান্তির ঘটনায় এনআইএ তদন্তের মামলায় বুধবার এমনই মন্তব্যে কেন্দ্রীয় এজেন্সির আইনজীবীকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাল সুপ্রিম কোর্ট। কলকাতা হাইকোর্টে মামলা ফেরত পাঠিয়ে উচ্চ আদালতকে এ ব্যাপারে উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ যাচাইয়ের পরামর্শ দেওয়া হল। বেলডাঙায় গত ১০ জানুয়ারির ঘটনায় আদৌ ইউএপি আইন প্রয়োগ করা যায় কি না, সেই সংক্রান্ত তথ্য দেখার কথা বলল দেশের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। 

Advertisement

এই মামলায় এনআইএ তদন্তের নির্দেশের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে এসেছে রাজ্য সরকার। এদিন দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে ছিল শুনানি। রাজ্যের হয়ে সওয়াল করেন আ‌ইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এনআইএ’র হয়ে অতিরিক্তর সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজু। সেখানেই শুনানির পর্যবেক্ষণে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করান। বলেন, ওখানে (বেলডাঙা) অবরোধ হয়েছিল। একজন পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুর জেরে গণরোষ দেখা দিয়েছিল। পণ্য এবং যাতায়াত, দুটোই বাধা পেয়েছিল। তাই বলে প্রত্যেকটি আবেগপূর্ণ উত্তেজনাকে কি সন্ত্রাসের প্যাকেজে মোড়া যায়? আমরা আপনাদের তদন্ত নিয়ে কিছু বলছি না।
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, এই মামলায় ইউএপিএ প্রয়োগ করা যায় কি না, সেটা দেখতে হবে। তাই এনআইএকে বলছি মুখবন্ধ খামে রিপোর্ট জমা করুন। শুনানিতে অবশ্য কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বজায় রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে রাজ্যকে বলা হয়েছে, সিকিওরিটি এবং ইকোনমিক সিকিওরিটি—দুটোর কথাই সংশ্লিষ্ট আইনে বলা হয়েছে। এখানে দুটোই প্রভাবিত হয়েছে। তবে আপনারা হাইকোর্টে বলুন, এখানে কোনো বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়নি। সেই মতো দুপক্ষের বক্তব্য শুনে হাইকোর্ট উপযুক্ত নির্দেশ দেবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ