নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: জোড়াফুল প্রতীকে বিধায়ক হয়ে বিক্ষুব্ধ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূলীদের পদ খারিজ মামলায় কলকাতা হাইকোর্টকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলা শুনবে বলে বৃহস্পতিবার জানিয়ে দিল দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ। আবেদনকারী মমতাপন্থী তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে আদালতের তরফে জানানো হল, কলকাতা হাইকোর্টে গিয়ে আবেদন করুন। এখানে নয়।
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, অরূপ রায়, আখরুজ্জামানের মতো একদল বিধায়ক তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হয়ে বর্তমানে বিদ্রোহী। দলবিরোধী আইনে তাঁদের বিধায়ক পদ খারিজের জন্য রাজ্য বিধানসভার স্পিকারের কাছে আবেদন করেছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, স্পিকার সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করছেন। সেই কারণে শীর্ষ আদালতে স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুর বিরুদ্ধে আবেদন করেছিলেন শোভনদেব। এদিন সেই শুনানি ছিল। সেই সময়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়ে দিল, কলকাতা হাইকোর্টে যান। আমরা হাইকোর্টকে বলছি, মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য। অন্যদিকে, তৃণমূলের দলীয় প্রতীকের দাবি ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশমতো নির্বাচন কমিশনে নথি জমা করেছে ঋতব্রত শিবির। কলকাতা থেকে কয়েক ট্রাক ভরতি নথি আনা হয়েছে দিল্লিতে। তৃণমূলের আসল মালিকানা অরূপ রায়-ঋতব্রতদেরই, সংগঠনের বিভিন্ন স্তর সেই দাবি সমর্থন করেছে বলেও দাবি করা হয়েছে। পালটা ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, থানায় বসে পুলিশ অফিসাররা ঋতব্রতদের কাগজপত্র তৈরি করেছেন। তার ভিডিয়ো আমাদের কাছে রয়েছে। সেই ভিডিয়ো নির্বাচন কমিশনে আমরা জমা দিচ্ছি। আর যে পুলিশ অফিসাররা ঋতব্রতদের হয়ে ওই কাজ করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



