নয়াদিল্লি: ১ নভেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া শিবিরের সভায় যোগ দিতে পারেননি। তার জেরেই আট রাজ্যের ২১৫ জন যুব কংগ্রেস কর্মীকে সাসপেন্ড করল দল। এনিয়েই অসন্তোষ তুঙ্গে। সাসপেন্ড হওয়া মধ্যপ্রদেশ যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক রোহিত রাজোরিয়া জানিয়েছেন, কাকার শ্রাদ্ধানুষ্ঠান ছিল। তাই যেতে পারেননি। দলকে আগেভাগে জানানো সত্ত্বেও কোনো শোকজ নোটিস না দিয়েই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কারও বিয়ে, কারও অসুস্থতা, কেউ আবার পারিবারিক অনুষ্ঠানের জন্য হাজির হতে পারেননি। নানা কারণ দেখিয়ে সরব হয়েছেন বাকিরাও। তাঁদের বক্তব্য, অসুবিধার কথা জানানোর পরও দলের এমন পদক্ষেপ মেনে নেওয়া যায় না। আচমকা দলে আইসা সভাপতি নেহা বোরাকে গুরুত্ব দেওয়া নিয়েও ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন যুবনেতারা। তাঁরা জানান, যারা বছরের পর বছর সংগঠনের জন্য লড়াই করছে, তাদের সঙ্গে এই আচরণ ঠিক নয়। জানা গিয়েছে, মধ্যপ্রদেশে ৬০ জন, গুজরাতে ৪৯, ঝাড়খণ্ডে ৩২, পশ্চিমবঙ্গে ২৬ যুবনেতা সহ তেলেঙ্গানা, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা থেকেও বেশ কয়েকজনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এই সুযোগে মাঠে নেমেছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র সি আর কেশবনের কটাক্ষ, ‘রাহুল গান্ধী আপনার মকপোলে ৭৩ শতাংশ যুবর কথা বাদ দিন। দলেরই যুব সদস্যরা আপনাকে অযোগ্য মনে করেন। সেই কারণেই তাঁরা আপনার সভা বয়কট করেছেন।’ ফাইল চিত্র



