Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬

এলাকা নির্ধারণে সুপ্রিম কোর্টের বিশেষজ্ঞ কমিটি

সুপ্রিম কোর্ট আরাবল্লিতে খননের জন্য ৫ সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে। রিপোর্ট ৩১ আগস্টের মধ্যে জমা দিতে হবে। বিস্তারিত পড়ুন।

এলাকা নির্ধারণে সুপ্রিম কোর্টের বিশেষজ্ঞ কমিটি
  • ৪ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: আরাবল্লি পর্বতের কোথায় খনন করা যাবে। আর কতখানি এলাকার সংরক্ষণ প্রয়োজন। তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে দেশ জুড়ে। অবশেষে এই নিয়ে সিদ্ধান্তের জন্য পাঁচ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করল সুপ্রিম কোর্ট। ৩১ আগস্টের মধ্যে এই নিয়ে কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। পরবর্তী শুনানি হতে পারে ৭ সেপ্টেম্বর। ২৫ মে এই নির্দেশিকা জারি করেছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। তবে মঙ্গলবার রাতে এই সংক্রান্ত রায় জনসমক্ষে এসেছে।  

Advertisement

পাঁচ সদস্যের কমিটির প্রধান হবেন ডিরেক্টর জেনারেল অব দি ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব ফরেস্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন (আইসিএফআরই) কাঞ্চন দেবী। দ্য ফরেস্ট সার্ভে অব ইন্ডিয়ার প্রাক্তন ডিরেক্টর জেনারেল সুভাষ আশুতোষ, জিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার প্রাক্তন ডিরেক্টর রাজেন্দ্র কুমার শর্মা, পরিবেশ মন্ত্রকের প্রাক্তন যুগ্মসচিব ব্রিজমোহন সিং রাঠোর এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান অশোক কে ভাটনগরকেও কমিটিতে রাখা হয়েছে। এছাড়াও পরিবেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে একজন ডিরেক্টর পদমর্যাদার মনোনীত আধিকারিক কমিটির মেম্বার সেক্রেটারি হিসাবে কাজ করবেন। 
সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, বিজ্ঞানসম্মতভাবে পরিবেশ সংরক্ষণ এবং দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়নের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধানের ভিত্তিতে তৈরি করতে হবে এই রিপোর্ট। আরাবল্লি পর্বতের সঙ্গে জড়িত বহু মানুষের জীবন ও জীবিকা। বেশ কয়েকটি রাজ্যজুড়ে ছড়িয়ে এই পর্বতমালা। কমিটিকে তাই সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির সরকারের পাশাপাশি পরিবেশ সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, খননের সঙ্গে যুক্ত সংস্থা, গ্রামবাসী, কৃষক এবং স্থানীয় বিভিন্ন গোষ্ঠীর সঙ্গেও আলোচনা করতে হবে। রিপোর্ট জমা না পড়া পর্যন্ত আরাবল্লিতে খননের উপর স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।  বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন পর্বতমালা আরাবল্লিতে খনন নিয়ে যাবতীয় বিতর্কের সূত্রপাত। গত ২০ নভেম্বর এই পর্বতমালার সংজ্ঞা এবং এর ব্যাপ্তি নিয়ে রায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তাতে বলা হয়, স্থানীয় এলাকায় ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০০ মিটারের বেশি উচ্চতার টিলা আরাবল্লি পর্বতমালার ব্যপ্তি হিসাবে ধরা হবে। এরপরেই পরিবেশবিদরা এই রায় নিয়ে সরব হন। তাঁদের মতে, এই সংজ্ঞা মেনে নিলে আরাবল্লির অস্তিত্ব বিপন্ন হবে। ২৯ ডিসেম্বর এই রায়ের উপর স্থগিতাদেশ জারি করে সুপ্রিম কোর্ট।  আরাবল্লি বাঁচাতে প্রতিবাদ গ্রামবাসীদের। রাজস্থানের নিমকাথানা এলাকায় এএফপির তোলা ছবি। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ