Bartaman Logo
৬ আগস্ট, ২০২৬

তিন মহিলা খুনের অভিযুক্তকে বেকসুর ঘোষণা সুপ্রিম কোর্টের, ২২ বছর পর জেলমুক্তি

তিন মহিলাকে খুনের অভিযোগে ২০০৪ সালে ওড়িশার কোরাপুটে গ্রেপ্তার হন অর্জুন জানি নামে এক ব্যক্তি।

তিন মহিলা খুনের অভিযুক্তকে  বেকসুর ঘোষণা সুপ্রিম কোর্টের, ২২ বছর পর জেলমুক্তি
  • ৬ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: তিন মহিলাকে খুনের অভিযোগে ২০০৪ সালে ওড়িশার কোরাপুটে গ্রেপ্তার হন অর্জুন জানি নামে এক ব্যক্তি। এরপর ২২টি বছর গারদে কাটিয়েছেন তিনি। নিম্ন আদালত, হাইকোর্ট পেরিয়ে মামলা পৌঁছেছিল সুপ্রিম কোর্টে। অবশেষে সুবিচার মিলল। ‘পর্যাপ্ত’ তথ্যপ্রমাণ নেই জানিয়ে অর্জুনকে বেকসুর ঘোষণা করেছে শীর্ষ আদালত। বিচারপতি এস কে সিং, বিচারপতি জে বি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি কে বিনোদের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, ‘ওই ব্যক্তির জীবন থেকে ২২টি বছর কেড়ে নেওয়া হয়েছে।’ ওই ব্যক্তি এখন মানসিকভাবে অসুস্থ। জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় তাঁর পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে ডিস্ট্রিক্ট লিগাল সার্ভিস অথরিটিকে নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

Advertisement

২০০৪ সালে খুন হন কমলা, সোনবারি এবং রত্নাই নামের তিন মহিলা। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছিলেন, অর্জুনকে রত্নাইয়ের উপর হামলা করতে দেখেছেন। তবে তিনি অন্য কোনো মহিলার দেহ তখন দেখেননি। একই সঙ্গে তিনজন খুন হওয়া সত্ত্বেও কেন বাকিদের দেহ তিনি দেখতে পেলেন না, সেই প্রশ্ন উঠলেও পুলিশ আমল দেয়নি। নিম্ন আদালতে দোষী সাব্যস্ত হলে অর্জুন ওড়িশা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। ৩ হাজার ১৫৭দিন পার হয়ে গিয়েছে জানিয়ে কোনো শুনানি ছাড়াই মামলা রদ করে দেয় হাইকোর্ট। এরপর সুপ্রিম কোর্টে যান অর্জুন। শীর্ষ আদালতেও মামলাটি পড়ে ছিল দশ বছর। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, মামলাটিকে আরও গুরুত্ব দিয়ে বিচার করা উচিত ছিল হাইকোর্টের। কেন কেবল অর্জুনকেই সন্দেহ করা হল, তার ব্যাখ্যা মেলেনি। খুনের অস্ত্র হিসাবে যে পাথরটি উদ্ধার হয়েছে, তা নিয়েও সাক্ষী ও তদন্তকারীদের বয়ানের বিস্তর ফারাক রয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ