Bartaman Logo
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জোগান স্বাভাবিক, তবুও কেন বিরিয়ানির দোকানগুলিতে মজুত কেজি কেজি মাংস? খাদ্য সুরক্ষা অভিযান

সম্প্রতি রাজ্যজুড়ে রেস্তরাঁগুলিতে চলছে খাদ্যসুরক্ষা শাখার অভিযান। তাতে দোকানগুলিতে একাধিক বেনিয়ম মিলেছে।

জোগান স্বাভাবিক, তবুও কেন বিরিয়ানির দোকানগুলিতে মজুত কেজি কেজি মাংস? খাদ্য সুরক্ষা অভিযান
  • ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বনগাঁ: সম্প্রতি রাজ্যজুড়ে রেস্তরাঁগুলিতে চলছে খাদ্যসুরক্ষা শাখার অভিযান। তাতে দোকানগুলিতে একাধিক বেনিয়ম মিলেছে। উদ্ধার হয়েছে কেজি কেজি বাসি-পচা মাংস। ফ্রিজে পলিথিন মোড়ানো এমন মাংস দেখে চক্ষু চড়কগাছ অফিসারদের। একাধিক রেস্তরাঁ, বিরিয়ানির দোকান থেকে পচন ধরা মাংস বাজেয়াপ্ত করেছেন তাঁরা। কিন্তু রাজ্যজুড়ে মাংসের জোগান স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও দোকানগুলিতে কেন এভাবে মজুত রাখা হচ্ছে কেজি কেজি মাংস? এই প্রশ্ন উঠেছে সাধারণের মনে। বিষয়টি ভাবাচ্ছে আধিকারিকদেরও।

Advertisement

কেন মাংস মজুত করছেন ব্যবসায়ীরা? তাঁদের দাবি, মাংসকে সুস্বাদু ও নরম করে তুলতে আগে থেকে ম্যারিনেশন বা মশলা মাখিয়ে রাখার জন্য মাংস মজুত করা হয়। তাছাড়া চাহিদা বেশি হলেও যাতে দ্রুত বিরিয়ানির জোগান দেওয়া যায়, সেই কারণেও মাংস মজুত করা হয়। এছাড়া পাইকারি দরে একসঙ্গে বেশি পরিমাণ মাংস কেনা হয় বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। একসঙ্গে অনেক মাংস কিনলে মাংসের পিসের ওজন ঠিক রাখা সম্ভব হয়, যা ব্যবসার সুনাম তৈরি করে। 
যদিও পর্যাপ্ত জোগান থাকা সত্ত্বেও দোকানগুলিতে এভাবে মাংস মজুত করা নিয়ে সাধারণের মনে নানা প্রশ্নের দানা বেঁধেছে। তাঁদের দাবি, মূলত মরা মুরগির মাংস গোপনে মজুত করা হয় দোকানগুলিতে। সূত্রের দাবি, শহরের একাধিক মাংসের দোকানে ভোরবেলা গোপনে মরা মুরগি কাটা হয়। সেখান থেকে গোপনে নানা রেস্তরাঁয় চলে যায় সেই মাংস। মুরগির খামারের মালিকদের সঙ্গে দোকানদার ও রেস্তরাঁ মালিকদের এক প্রকার অলিখিত চুক্তি রয়েছে। খুবই কম দামে মরা মুরগির মাংস পৌঁছে যায় রেস্তরাঁ কিংবা বিরিয়ানির দোকানে।
খাদ্যসুরক্ষা শাখার অফিসাররা কয়েকদিন ধরে শহরের বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালিয়েছেন। অভিযানের পর তাঁরাও মজুত মাংস নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তবে ওই অফিসারদের দাবি, কয়েকটি দোকান থেকে মাংসের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট এলে বিষয়টি বোঝা যাবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ