


সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: দার্জিলিংয়ে হেরিটেজ টয় ট্রেনের জয় রাইডের সংখ্যা বাড়ছে। গ্রীষ্মকালীন পর্যটন জমে উঠছে পাহাড়ে। সেইসঙ্গে হেরিটেজ টয় ট্রেনে পাহাড় ভ্রমণের চাহিদা বাড়ছে। সেকারণেই চলতি সপ্তাহ থেকে ১২টি জয় রাইড চলতে পারে।
দার্জিলিং হিমালয়ান রেলের (ডিএইচআর) ডিরেক্টর ঋষভ চৌধুরী বলেন, পাহাড়ে থেকেই গ্রীষ্মকালীন পর্যটন মরশুম শুরু হয়ে গিয়েছে। পর্যটকের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। এখন ৮টি জয় রাইড চলছে। পর্যটক বাড়লে টয় ট্রেনের চাহিদা আরও বাড়বে। তাই চারটি জয়রাইড বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে আমরা উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের সদর দপ্তরে প্রস্তাব পাঠিয়েছি। আশা করছি, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই দার্জিলিংয়ে ১২টি জয় রাইড পরিষেবা চালু হয়ে যাবে।
দার্জিলিং থেকে ঘুম এবং ঘুম থেকে দার্জিলিং এই পথেই হেরিটেজ জয় রাইডে দেশ-বিদেশের পর্যটকরা পাহাড় ভ্রমণ করেন। পাহাড় ভ্রমণে পর্যটকদের কাছে যা অন্যতম আকর্ষণ। এদিকে, হেরিটেজ সাইট থেকে শুরু করে পরিষেবা ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানান ডিএইচআর কর্তা। তিনি বলেন, নতুন তিনটি লোকো ইঞ্জিন আমরা পেয়েছি। একটি ইনস্টল হয়েছে। যাতে ইঞ্জিনের সমস্যার কারণে জয় রাইড পরিষেবা বিঘ্নিত না হয়, যাত্রীদের সমস্যায় পড়তে না হয় সেজন্য অতিরিক্ত ইঞ্জিন আনা হয়েছে। সেই সঙ্গে টয় ট্রেনের হেরিটেজ পরিকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণও জোর দেওয়া হয়েছে। কার্শিয়াং স্টেশনে টার্ন টেবিল পুনরায় কার্যকর করা হয়েছে সফলভাবে।
ঋষভ চৌধুরি আরও বলেন, কার্শিয়াং স্টেশনে এই টার্ন টেবিলের সাহায্যে টয় ট্রেনের ইঞ্জিন ও কোচ রক্ষণাবেক্ষণ ও বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি মেরামতের কাজ মসৃণভাবে হয়ে থাকে। ১৯৪৩ থেকে এই ঐতিহাসিক টার্ন টেবিল স্টিম ইঞ্জিনে পরিচালিত টয় ট্রেন রক্ষণাবেক্ষণের বিশেষ ভূমিকা ছিল। নানা কারণে সেই টার্ন টেবিল অকেজো হয়ে পড়েছিল। তা ফের সফলভাবে কার্যকর করা হয়েছে। হেরিটেজ টয় ট্রেনের এটিও একটি দ্রষ্টব্য বিষয় বলে জানান ডিএইচআর কর্তা।