Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

চলতি মরশুমে দেশজুড়ে পর্যাপ্ত বৃষ্টি, ইতিবাচক প্রভাব চাষবাসে, দাবি কেন্দ্রের

দেশে এবার খুব ভালো পরিমাণে বৃষ্টি হচ্ছে। চাষবাসের পক্ষে এই বৃষ্টিপাত অনেকটাই ইতিবাচক হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের সদ্য প্রকাশিত জুন মাসের আর্থিক পর্যালোচনা রিপোর্টে।

চলতি মরশুমে দেশজুড়ে পর্যাপ্ত বৃষ্টি, ইতিবাচক প্রভাব চাষবাসে, দাবি কেন্দ্রের
  • ৩০ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দেশে এবার খুব ভালো পরিমাণে বৃষ্টি হচ্ছে। চাষবাসের পক্ষে এই বৃষ্টিপাত অনেকটাই ইতিবাচক হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের সদ্য প্রকাশিত জুন মাসের আর্থিক পর্যালোচনা রিপোর্টে। সেখানে বলা হয়েছে, গত বছর এই সময়ের (১৮ জুলাই পর্যন্ত) তুলনায় চলতি বছর এই সময় পর্যন্ত খরিফ মরশুমে ১০.৫ শতাংশ খাদ্যশস্য বেশি রোপণ হয়েছে। ধান ও মোটা দানাশস্য রোপণ গত বছরের এই সময়ের তুলনায় যথাক্রমে ১২.৪ ও ১৩.৬ শতাংশ বেশি হয়েছে। সার্টিফায়েড বীজ ও সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে বলে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে দাবি করা হয়েছে। চাহিদার তুলনায় ৯ শতাংশ বীজ বেশি সরবরাহ করা হয়েছে। জুলাই মাসে যে পরিমাণ সার প্রয়োজন তার দ্বিগুণ সরবরাহ করা হয়েছে।  

Advertisement

কেন্দ্রীয় সরকারের আর্থিক রিপোর্ট অনুযায়ী, এবার গোটা দেশে বর্ষা ঢুকে পড়েছে ২৯ জুন, স্বাভাবিক সময়ের ৯ দিন আগে। জুলা‌‌‌‌ই মাসের ২৭ তারিখ পর্যন্ত দেশে সার্বিকভাবে স্বাভাবিকের থেকে ৮ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। দেশের ৭৮ শতাংশ এলাকায় স্বাভাবিক বা তার চেলেও বেশি বৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের রিপোর্ট বলছে, মরুভূমি সংলগ্ন পশ্চিম রাজস্থানে এবার বর্ষাকালে এখনও পর্যন্ত স্বাভাবিকের থেকে ১১৪ শতাংশ বেশি বৃষ্টি (পরিমাণ ২৪৫.৯ মিমি) বৃষ্টি হয়েছে। পূর্ব রাজস্থানে স্বাভাবিকের থেকে প্রায় দ্বিগুণ বৃষ্টি হয়েছে। দেশের মধ্যে উত্তর-পূর্ব ভারত ও উত্তরবঙ্গের  বেশির ভাগ অংশ, পূর্ব উত্তরপ্রদেশ, বিহার, মহারাষ্ট্রের মারাঠাওয়াড়া ও অন্ধ্রপ্রদেশের রায়লসীমা এলাকায় বৃষ্টির কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। বাকি সব জায়গায় স্বাভাবিক বা অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে। ভালো বৃষ্টির ফলে বিভিন্ন বাঁধে প্রচুর পরিমাণে জল রয়েছে। আর্থিক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ১৬১টি গুরত্বপূর্ণ বাঁধে গত বছরের এই সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণ (১.৯১) পরিমাণ জল রয়েছে। গত ১০ বছরের নিরিখে এটা ১.৭৭ গুণ বেশি। বাঁধে বেশি জল থাকলে আগামী রবি মরশুমেও চাষের জমিতে সেচের সুবিধা হবে। 

সম্পর্কিত সংবাদ