নয়াদিল্লি, ৭ আগস্ট: আজ, শুক্রবার নয়াদিল্লিতে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে প্রাতঃরাশ সারলেন এনসিপিআইয়ের সাংসদরা। আজ সকাল ৯টা নাগাদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, জুন মালিয়া, সায়নী ঘোষ, বাপি হালদার-সহ মোট ৪৫ জন সাংসদ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে যান। এমনকী মুর্শিদাবাদের তিনজন সংখ্যালঘু সাংসদ আবু তাহের, খলিলুর রহমান ও ইউসুফ পাঠানও এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। প্রাতঃরাশের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয় বলে সূত্রের খবর। নিজেদের এলাকার সমস্যার কথাও তুলে ধরেন তাঁরা। দেশের উন্নয়নের স্বার্থে সকলকে একজোটে কাজ করার পরামর্শও দিয়েছেন মোদি। বৈঠকের পুরো সময়টাই প্রধানমন্ত্রী কাটিয়েছেন খোশমেজাজে। প্রত্যেক সাংসদের সঙ্গে আলাদা আলাদা ভাবে তিনি কথা বলেছেন বলে জানা গিয়েছে।
আবু তাহের খান নিজের এলাকায় রেলপথের দাবি জানিয়েছেন। গঙ্গাসাগর মেলাকে জাতীয় স্বীকৃতি দেওয়া দাবি জানিয়েছেন বাপি হালদার। অন্যদিকে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আজ শুধু এনডিএ সাংসদদেরই এই প্রাতঃরাশে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এই প্রথমবার এনডিএ শরিকদের আমন্ত্রণে গিয়েছিলাম। এদিন আমাদের প্রায় সকল সাংসদরাই এসেছিলেন। সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, উত্তর-পূর্বের যে রাজ্যগুলি রয়েছে সেখানে আরও উন্নয়ন হওয়া প্রয়োজন। আমরা সকলে একসঙ্গে কাজ করব। এনডিএ একটি পরিবার। রচনা বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। এর থেকে বড় কিছু হতেই পারে না। এই দিনটা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। শতাব্দী রায় বলেন, দেশের স্বার্থে কীভাবে একসঙ্গে কাজ করা যায় মূলত সেটি নিয়েই এদিন আলোচনা হয়েছে। আজ এনসিপিআইয়ের ২০ জন সাংসদ ছাড়াও শিবসেনার ৭জন এবং এনসিপির অজিত পাওয়ার গোষ্ঠীর ২ জন সাংসদও উপস্থিত ছিলেন।