পাটনা, ২২ সেপ্টেম্বর: বিহারে এনকাউন্টার! গুলিবিদ্ধ মূল অভিযুক্ত নন্দন যাদব। জামুইয়ে কিশোরীকে শ্লীলতাহানি ও মারধরের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত নন্দন। এই ঘটনায় আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ৩ জন নাবালককে। তবে বেপাত্তা ছিল এই মূল অভিযুক্ত। অবশেষে প্রায় ৭২ ঘণ্টার পর মূল অভিযুক্ত গ্রেপ্তার হয়েছে। সূত্রের খবর, নন্দনকে ধরতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এরপর পুলিশও তাকে লক্ষ্য করে পাল্টা গুলি চালায়। তাতেই নন্দনের পায়ে গুলি লাগে। এছাড়া এই ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত হরেরাম যাদবও গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুঙ্গের রেঞ্জের ডিআইজি রাকেশ কুমার।
‘নীতিশ’ সরকারের রাজ্যে এক ভয়ঙ্কর ভিডিও ভাইরাল হয়। যে ভিডিওতে দেখা যায় এক কিশোরী ও তার বন্ধুকে ঘিরে ধরে রয়েছে একদল যুবক। কিশোরীকে মারধর সহ তার দেহের একাধিক আপত্তিকর জায়গায় হাত দিতেও দেখা যায় তাদের। ছোট মেয়েটি হাত জোর করে বলে,‘যেতে দিন’। তবে তাদের উল্লাস থামার বদলে আরও বাড়তে থাকে। রাতে একটি ছেলে ও মেয়ে একসঙ্গে কেন? পাশের মন্দিরে বিয়ে করতে হবে, হুমকির সঙ্গেই তারা সেই কিশোরীকে বাড়িতে ফোন করতে বলে। যদিও কিশোরী বলতে থাকে, শনিবার সন্ধ্যায় টিউশন সেরে ফিরছিল সে এবং তার পরিবারের সকলেই ছেলেটিকে চেনে।
এই ঘটনা গোটা দেশকে বিচলিত করে তোলে। প্রশ্ন উঠতে থাকে নীতিশ সরকারের রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে। কারণ এই ঘটনা প্রথম নয়। এরই মধ্যে এই ঘটনাকে জেডিইউর প্রদেশ সভাপতি বলেন ‘ছোটো ঘটনা’। উমেশ কুশওয়াহা বলেন, এখন ছোটখাটো ঘটনা ঘটলেই সরকার ব্যবস্থা নেয়! এরপরে সমাজমাধ্যমে ক্রমশ বাড়তে থাকে এই ঘটনা নিয়ে প্রতিবাদের ঝাঁঝ।
জামুইয়ের পুলিশ সুপার বিশ্বজিৎ দয়াল জানিয়েছিলেন, সিট গঠন করে তদন্ত শুরু হয়েছে। পকসো আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। বাকিদের খোঁজে এখনও অভিযান চলছে। রাকেশ কুমার বলেন, নন্দন ও হরেরামকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। এর আগে তিনজন নাবালককে আটক করা হয়েছিল। তাদের বিষয়ে জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ড ব্যবস্থা নেবে।