


নয়াদিল্লি: মানুষের হাড়ের উপর কতটা প্রভাব ফেলে মহাশূন্য? মাইক্রো গ্র্যাভিটিতে কীভাবে ক্ষয় হয় হাড়ের? উত্তর জানতে পরীক্ষা চালাল অ্যাক্সিয়ম স্পেস। শনিবার আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে সেই গবেষণায় অংশ নেন শুভাংশু শুক্লাও। গত ২৬ মে এপ্রিল প্রথম ভারতীয় হিসেবে তিনি পা রেখেছেন স্পেস স্টেশনে পা রেখেছেন। গত ১০ দিনে একের পর এক পরীক্ষার অংশ নিয়েছেন ভারতীয় বায়ুসেনার গ্রুপ ক্যাপ্টেন। জানা গিয়েছে, শুভাংশুরা দিনে ১২ ঘণ্টা করে কাজ করছেন। শৈবাল, টার্ডিগ্রেডের উপর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা আগেই করেছিলেন তিনি। শনিবার হাড়ের ক্ষয় নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালালেন অ্যাক্সিয়ম-৪ এর মহাকাশচারীরা।
দীর্ঘ মহাকাশ অভিযানের সময় মহাকাশচারীদের শরীরে হাড় ও পেশির দ্রুত ক্ষয় লক্ষ্য করা যায়। ফলে পৃথিবীর বুকে ফেরার পরেই বেশ কিছু চিকিৎসার মধ্য দিয়ে যেতে হয় তাঁদের। সেই বিষয়টি নিয়েই এদিন পরীক্ষানিরীক্ষা চালান শুভাংশুরা। অ্যাক্সিয়ম স্পেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হাড়ের গঠন, বৃদ্ধি ও প্রদাহের ওপর গবেষণা চালানো হয়েছে। এর ফলে আগামী দিনে মহাকাশচারীদের স্বাস্থ্যের দিকটি নজর রেখে মিশনের পরিকল্পনা করতে পারবে মহাকাশ সংস্থাগুলি।