সংবাদদাতা, সাঁইথিয়া: সিউড়ির দুর্গপুর মোড় থেকে নরসিংহপুর সহ বিভিন্ন গ্রামে যাওয়ার রাস্তা কয়েকবছর ধরে বেহাল। রাস্তার পিচের আস্তরণ পুরোটাই ভেঙে পাথর বেরিয়ে এসেছে। ধুলোর কারণে এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত মুশকিল হয়ে পড়ে। বর্ষাকালে গর্তে ভরা রাস্তাটি মরণফাঁদে পরিণত হয় বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
Advertisement
এবিষয়ে সিউড়ি-১ এর বিডিও গৌতম মণ্ডল বলেন, রাস্তা সংস্কারের বিষয়ে আমার কাছে কোনও লিখিত আবেদন জমা পড়েনি। আবেদন পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
সিউড়ি-১ ব্লকের দুর্গপুর, পাঁচপাকুরিয়া, নরসিংহপুর, অজয়পুর সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দাদের ওই বেহাল রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। পথশ্রী প্রকল্পে জেলার বিভিন্ন গ্রামে রাস্তা তৈরি হলেও এই রাস্তাটি কেন সংস্কার হল না-তা নিয়ে গ্রামবাসীরা প্রশ্ন তুলেছেন। এলাকার মানুষ বেশ কয়েকবার রাস্তাটি সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করেছেন। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি।
একসময় ওই রাস্তাটি পিচের তৈরি ছিল। কিন্তু বালিবোঝাই গাড়ি যাতায়াতের জেরে রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পিচ উঠে বড় বড় গর্ত দেখা দেয়। প্রায় বছরখানেক আগে প্রশাসনের তরফে মোরাম ফেলে রাস্তাটি সংস্কার করা হয়েছিল। কিন্তু বর্ষায় সেই মোরাম ধুয়ে সাফ হয়ে গিয়েছে। ফলে রাস্তাটি ফের গর্তে ভরে গিয়েছে। অল্প বৃষ্টি হলেই ওই রাস্তা জল জমে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। বছরের অন্য সময় বৃষ্টি না হলেও গাড়ি চলাচল করলেই ধুলোয় রাস্তা ঢেকে যায়। এলাকার বাসিন্দা শেখ আলম বলেন, বছরের অন্য সময় এই রাস্তা দিয়ে তাও কোনওরকমে যাতায়াত করা যায়। কিন্তু বর্ষাকালে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করা যায় না। রাস্তা খারাপ হওয়ায় শহর থেকে টোটো, অটো আসতে চায় না। এমনকী, রাতে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে অ্যাম্বুলেন্সও এই রাস্তায় আসতে চায় না। আমরা চাই, রাস্তাটি সারাই করা হোক। এলাকার এক স্কুলপড়ুয়া বলল, রাস্তার যা অবস্থা, তাতে সাইকেল নিয়ে স্কুলে যেতে খুব মুশকিলে পড়ি। একটা গাড়ি গেলে ধুলোয় মুখ ঢাকা দিতে হয়।
সিউড়ি-১ ব্লকের দুর্গপুর, পাঁচপাকুরিয়া, নরসিংহপুর, অজয়পুর সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দাদের ওই বেহাল রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। পথশ্রী প্রকল্পে জেলার বিভিন্ন গ্রামে রাস্তা তৈরি হলেও এই রাস্তাটি কেন সংস্কার হল না-তা নিয়ে গ্রামবাসীরা প্রশ্ন তুলেছেন। এলাকার মানুষ বেশ কয়েকবার রাস্তাটি সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করেছেন। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি।
একসময় ওই রাস্তাটি পিচের তৈরি ছিল। কিন্তু বালিবোঝাই গাড়ি যাতায়াতের জেরে রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পিচ উঠে বড় বড় গর্ত দেখা দেয়। প্রায় বছরখানেক আগে প্রশাসনের তরফে মোরাম ফেলে রাস্তাটি সংস্কার করা হয়েছিল। কিন্তু বর্ষায় সেই মোরাম ধুয়ে সাফ হয়ে গিয়েছে। ফলে রাস্তাটি ফের গর্তে ভরে গিয়েছে। অল্প বৃষ্টি হলেই ওই রাস্তা জল জমে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। বছরের অন্য সময় বৃষ্টি না হলেও গাড়ি চলাচল করলেই ধুলোয় রাস্তা ঢেকে যায়। এলাকার বাসিন্দা শেখ আলম বলেন, বছরের অন্য সময় এই রাস্তা দিয়ে তাও কোনওরকমে যাতায়াত করা যায়। কিন্তু বর্ষাকালে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করা যায় না। রাস্তা খারাপ হওয়ায় শহর থেকে টোটো, অটো আসতে চায় না। এমনকী, রাতে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে অ্যাম্বুলেন্সও এই রাস্তায় আসতে চায় না। আমরা চাই, রাস্তাটি সারাই করা হোক। এলাকার এক স্কুলপড়ুয়া বলল, রাস্তার যা অবস্থা, তাতে সাইকেল নিয়ে স্কুলে যেতে খুব মুশকিলে পড়ি। একটা গাড়ি গেলে ধুলোয় মুখ ঢাকা দিতে হয়।



