নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: সাংসদের এলাকা উন্নয়ন তহবিলের টাকায় কেনা অ্যাম্বুলেন্স অযত্নে নষ্ট হচ্ছে। সিউড়ি সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালের পেছনে সেটি পড়ে রয়েছে। কিন্তু কেন অ্যাম্বুলেন্সটি এভাবে ফেলে রাখা হয়েছে-তা নিয়ে স্পষ্ট তথ্য মেলেনি। তবে জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের এক আধিকারিক জানান, অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা চালু রাখতে যথেষ্ট লোকবল প্রয়োজন। অনেক খরচও হয়। তবে রোগী ও তাঁদের আত্মীয়দের দাবি, এভাবে ফেলে না রেখে অ্যাম্বুলেন্সটি চালু করা হোক। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক হিমাদ্রি আড়ি বলেন, বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখব।
Advertisement
ওই অ্যাম্বুলেন্সটি সিউড়ি পুরসভার নামে রয়েছে। ২০১২ সালের ৩০ আগস্ট গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন হয়েছিল। সেই হিসেবে গাড়িটির বয়স মেরেকেটে ১২ বছর। হিসেব অনুযায়ী সেই গাড়ি আরও তিন বছর সচল থাকার কথা। কিন্তু তার আগেই গাড়িটি কেন অবহেলায় ফেলে রাখা হয়েছে-তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বহুদিন একই জায়গায় পড়ে থাকায় গাড়িটির বিভিন্ন অংশে মরচে ধরেছে। সামনের দিকে কিছুটা অংশ ভেঙে গিয়েছে। হাতোরা পঞ্চায়েত এলাকা থেকে চিকিৎসা করাতে আসা রোগী শ্যামল দাসও ওই অ্যাম্বুলেন্সটি দেখেছিলেন। তিনি বলেন, ওটা দেখে খারাপ লাগছে। মনে হয় কিছুটা মেরামত করলেই অ্যাম্বুলেন্সটি সচল হতে পারে। সেটি ঠিক থাকলে আমরাই পরিষেবা পেতাম। সাঁইথিয়া থেকে আসা জয়দেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, এভাবে ফেলে না রেখে অ্যাম্বুলেন্সটি ঠিকঠাক করে কাজে লাগানো উচিত। জানা গিয়েছে, সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়ানের এলাকা উন্নয়ন তহবিলের টাকায় ওই অ্যাম্বুলেন্স কেনা হয়েছিল। সেটি পুরসভার কাছে ছিল। পরে সাধারণ মানুষের পরিষেবার স্বার্থে সেটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
বহুদিন একই জায়গায় পড়ে থাকায় গাড়িটির বিভিন্ন অংশে মরচে ধরেছে। সামনের দিকে কিছুটা অংশ ভেঙে গিয়েছে। হাতোরা পঞ্চায়েত এলাকা থেকে চিকিৎসা করাতে আসা রোগী শ্যামল দাসও ওই অ্যাম্বুলেন্সটি দেখেছিলেন। তিনি বলেন, ওটা দেখে খারাপ লাগছে। মনে হয় কিছুটা মেরামত করলেই অ্যাম্বুলেন্সটি সচল হতে পারে। সেটি ঠিক থাকলে আমরাই পরিষেবা পেতাম। সাঁইথিয়া থেকে আসা জয়দেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, এভাবে ফেলে না রেখে অ্যাম্বুলেন্সটি ঠিকঠাক করে কাজে লাগানো উচিত। জানা গিয়েছে, সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়ানের এলাকা উন্নয়ন তহবিলের টাকায় ওই অ্যাম্বুলেন্স কেনা হয়েছিল। সেটি পুরসভার কাছে ছিল। পরে সাধারণ মানুষের পরিষেবার স্বার্থে সেটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয়।



