সংবাদদাতা, সিউড়ি: সিউড়ি পুরসভার চেক জালিয়াতির ঘটনায় পুলিস-প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করল কর্তৃপক্ষ। কারা পুরসভার প্রায় ন’লক্ষ টাকা লোপাটের চেষ্টা করছিল, কোনও চক্র এর পিছনে রয়েছে কি না, সেব্যাপারে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। যদিও এই ঘটনায় এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। পুরসভার চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় বলেন, পুরসভার নামে দু’টি ভুয়ো চেক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে জমা হয়েছিল। কালিম্পং পুরসভাকে ওই টাকা দেওয়া হয়েছে কি না ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ জানতে চেয়েছিল। কিন্তু ওই পুরসভাকে আমরা কোনও চেক দিইনি। আমাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ক্লোন করে জাল চেক জমা করা হয়েছিল। ব্যাঙ্ককে তৎক্ষণাৎ জানানোয় কোনও টাকা খোয়া যায়নি। এর সঙ্গে কোনও বড় চক্র জড়িত থাকতে পারে। সিউড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলার পুলিস সুপার, প্রশাসন, পুর দপ্তর সহ একাধিক জায়গায় জানানো হচ্ছে। আমরা চাই, কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা প্রকাশ্যে আসুক।
Advertisement
উল্লেখ্য, গত শনিবার সিউড়ির ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের সতর্কতায় আর্থিক তছরুপ আটকানো সম্ভব হয়েছে। পুরসভার নামে প্রায় ন’লক্ষ টাকার দু’টি চেক ওই ব্যাঙ্কে জমা করা হয়েছিল। ব্যাঙ্কের আধিকারিকদের সন্দেহ হওয়ায় তাঁরা দু’টি চেকই জাল বলে বুঝতে পারেন। তাঁরা পুরসভার আধিকারিকদের ফোন করে বিষয়টি নিশ্চিত হন। লেনদেন বাতিল করা হয়। পুরসভার দাবি, ওই চেক দু’টি অত্যন্ত নিপুণভাবে ক্লোন করা হয়েছে। দুষ্কৃতীরা পুরসভার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত সব তথ্য জানে।
পুরসভার দাবি, পুরসভার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত চেকবইয়ের ১৪৩ ও ১৪৪ নম্বর চেক দু’টি যে ফাঁকা রয়েছে সেই খবর ছিল দুষ্কৃতীদের কাছে। এই ঘটনায় সর্ষের মধ্যেই ভূত লুকিয়ে রয়েছে কি না, তা নিয়ে শোরগোল শুরু হয়েছে। যদিও পুরসভার চেয়ারম্যান বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে যারাই যুক্ত থাকুক তাদের খুঁজে বের করা দরকার।
পুরসভার দাবি, পুরসভার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত চেকবইয়ের ১৪৩ ও ১৪৪ নম্বর চেক দু’টি যে ফাঁকা রয়েছে সেই খবর ছিল দুষ্কৃতীদের কাছে। এই ঘটনায় সর্ষের মধ্যেই ভূত লুকিয়ে রয়েছে কি না, তা নিয়ে শোরগোল শুরু হয়েছে। যদিও পুরসভার চেয়ারম্যান বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে যারাই যুক্ত থাকুক তাদের খুঁজে বের করা দরকার।



