তামিম ইসলাম, ডোমকল: ১০ টাকার নন জুডিসিয়াল স্ট্যাম্প পেপারের দাম ৫০ টাকা। ৫০ টাকার পেপার বিক্রি হচ্ছে ১s০০ টাকায়। ১০০ টাকার পেপার ১৫০ টাকায়। খোদ ডোমকল এসডিও অফিস চত্বরে দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই চলছে স্ট্যাম্প পেপারের কালোবাজারি। ডোমকল এডিএসআরের অন্তর্গত স্ট্যাম্প ভেন্ডার জয়নাল আবেদিন তাঁর দালাল চক্রের মাধ্যমে ওই কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ। এদিন হাতেনাতে এক দালালকে পাকড়াও করার পর ওই স্ট্যাম্প ভেন্ডারও কার্যত স্বীকার করে নেন বিষয়টি।
Advertisement
এদিন অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য এসডিও অফিসের আশেপাশে একটু ঘোরাঘুরি করতেই খোঁজ মিলল এক দালালের। স্ট্যাম্প পেপার আছে? প্রশ্ন করতেই ডেকে নিলেন এক কোণে। এরপরই ধেয়ে এল প্রশ্ন, ‘কত টাকার স্ট্যাম্প পেপার লাগবে?’ ১০ টাকার জানাতেই, সটান উত্তর, ‘পঞ্চাশ টাকা লাগবে!’ আর পঞ্চাশ টাকার? জবাব এল, ১০০ টাকা! ১০০ টাকার স্ট্যাম্প পেপারে ডিসকাউন্ট রয়েছে বলেও জানালেন তিনি। ২০০ টাকার বদলে ১৫০ টাকাতেই মিলবে। কিন্তু কেন স্ট্যাম্প পেপারের এই বেআইন মূল্য। প্রশ্ন করতেই, দালালের স্পষ্ট উত্তর, ‘ব্ল্যাকে কিনি আর ব্ল্যাকেই পেপার বেচি। দাম তো একটু বেশি হবেই। তার ওপরে আবার ভেন্ডারকেও দিতে হবে বেশি টাকা।’
যাচাইয়ের জন্য সেখান থেকে ১০ টাকার স্ট্যাম্প পেপার ৫০ টাকায় কিনে পাতা ওল্টাতেই পেছনে দেখা গেল, ভেন্ডার জয়নাল আবেদিনের নাম ও সিল। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন দালালের মাধ্যমে স্ট্যাম্প পেপারের কালবাজারি করছেন জয়নাল। কীভাবে হচ্ছে সেই কালোবাজারি? খোঁজ নিতেই জানা গেল, প্রথমে খাতায় এন্ট্রি না করেই বিভিন্ন দামের নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প পেপার দালালদের হাতে তুলে দেন জয়নাল। এরপরে সেই দালাল এসডিও অফিসের আশেপাশে ঘুরেফিরে চড়া দরে ওই স্ট্যাম্প পেপার বিক্রি করে। জমি সংক্রান্ত বা অন্য বিষয়ে লিখিত দলিলের জন্য ও বিভিন্ন চুক্তিপত্র লেখার জন্য চড়া দরে ওই পেপার কেনেন বিভিন্ন ব্যক্তি। বিক্রির সময়ে যেই স্ট্যাম্প পেপার যাঁর নামে বিক্রি করছেন, স্ট্যাম্প নম্বরের সঙ্গে সাদা পাতায় এন্ট্রি করেন তাঁর নাম। দিন শেষে স্ট্যাম্প ভেন্ডারের কাছে গিয়ে ওই লিস্ট জমা দেন দালাল। দালালকে দেওয়া হয় প্রতিটি স্ট্যাম্প পেপারের ওপর নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা। এভাবেই দীর্ঘদিন ধরে ওই ভেন্ডার দুর্নীতি চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ।
রাখঢাক না করেই এক দালাল বলেন, আমরা ব্ল্যাকে ওই স্ট্যাম্প পেপার ভেন্ডারের কাছে থেকে কিনি। এরপরে ব্ল্যাকে ওই পেপার বেচি। আমাদের কাছেও ভেন্ডার ১০ টাকার স্ট্যাম্প পেপারে ২০ টাকা করে নেয়। সেই পেপার আমি ৫০ টাকায় বিক্রি করি। শুধু ১০ টাকা নয়, সব স্ট্যাম্প পেপারের জন্যই আমাকে বেশি টাকা দিতে হয় দালালকে। জয়নালবাবুকে সরাসরি ওই প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ। আমি এই কাজ করি। আমার ভুল হয়ে গিয়েছে। আমাকে মাফ করে দিয়েন। আর করব না।’ ডোমকল এডিএসআর তন্ময় বিশ্বাস বলেন, ভেন্ডারদের ওপরে আমাদের কন্ট্রোল থাকে না। ওটা ট্রেজারি দেখে। তবে যদি সত্যিই কালোবাজারি কেউ করে থাকে, তাহলে অন্যায় করেছে। ডোমকলের এসডিও শুভঙ্কর বালা বলেন, আমার জানা ছিল না। আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব।
যাচাইয়ের জন্য সেখান থেকে ১০ টাকার স্ট্যাম্প পেপার ৫০ টাকায় কিনে পাতা ওল্টাতেই পেছনে দেখা গেল, ভেন্ডার জয়নাল আবেদিনের নাম ও সিল। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন দালালের মাধ্যমে স্ট্যাম্প পেপারের কালবাজারি করছেন জয়নাল। কীভাবে হচ্ছে সেই কালোবাজারি? খোঁজ নিতেই জানা গেল, প্রথমে খাতায় এন্ট্রি না করেই বিভিন্ন দামের নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প পেপার দালালদের হাতে তুলে দেন জয়নাল। এরপরে সেই দালাল এসডিও অফিসের আশেপাশে ঘুরেফিরে চড়া দরে ওই স্ট্যাম্প পেপার বিক্রি করে। জমি সংক্রান্ত বা অন্য বিষয়ে লিখিত দলিলের জন্য ও বিভিন্ন চুক্তিপত্র লেখার জন্য চড়া দরে ওই পেপার কেনেন বিভিন্ন ব্যক্তি। বিক্রির সময়ে যেই স্ট্যাম্প পেপার যাঁর নামে বিক্রি করছেন, স্ট্যাম্প নম্বরের সঙ্গে সাদা পাতায় এন্ট্রি করেন তাঁর নাম। দিন শেষে স্ট্যাম্প ভেন্ডারের কাছে গিয়ে ওই লিস্ট জমা দেন দালাল। দালালকে দেওয়া হয় প্রতিটি স্ট্যাম্প পেপারের ওপর নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা। এভাবেই দীর্ঘদিন ধরে ওই ভেন্ডার দুর্নীতি চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ।
রাখঢাক না করেই এক দালাল বলেন, আমরা ব্ল্যাকে ওই স্ট্যাম্প পেপার ভেন্ডারের কাছে থেকে কিনি। এরপরে ব্ল্যাকে ওই পেপার বেচি। আমাদের কাছেও ভেন্ডার ১০ টাকার স্ট্যাম্প পেপারে ২০ টাকা করে নেয়। সেই পেপার আমি ৫০ টাকায় বিক্রি করি। শুধু ১০ টাকা নয়, সব স্ট্যাম্প পেপারের জন্যই আমাকে বেশি টাকা দিতে হয় দালালকে। জয়নালবাবুকে সরাসরি ওই প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ। আমি এই কাজ করি। আমার ভুল হয়ে গিয়েছে। আমাকে মাফ করে দিয়েন। আর করব না।’ ডোমকল এডিএসআর তন্ময় বিশ্বাস বলেন, ভেন্ডারদের ওপরে আমাদের কন্ট্রোল থাকে না। ওটা ট্রেজারি দেখে। তবে যদি সত্যিই কালোবাজারি কেউ করে থাকে, তাহলে অন্যায় করেছে। ডোমকলের এসডিও শুভঙ্কর বালা বলেন, আমার জানা ছিল না। আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব।



