Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দুর্গাপুরে স্কুলের জমি জবরদখল মুক্ত করতে বিক্ষোভে শামিল ছাত্রছাত্রীরা

দুর্গাপুরে স্কুলের জমি জবরদখল মুক্ত করতে বিক্ষোভে শামিল ছাত্রছাত্রীরা
  • ২২ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: দুর্গাপুর নেপালিপাড়া হিন্দি হাইস্কুলের জমি উদ্ধারের দাবিতে সোমবার কোকওভেন থানায় বিক্ষোভ দেখান শিক্ষক, শিক্ষিকা ও পড়ুয়ারা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানা চত্বরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। শিক্ষক, শিক্ষিকা ও পড়ুয়াদের অভিযোগ, বেশকিছু পরিবার স্কুলের জমিতে অবৈভাবে বাড়িঘর নির্মাণ করে বসবাস করছে। স্কুলের শ্রেণিকক্ষ তৈরির জন্য জমির প্রয়োজন। কিন্তু অবৈধ বসবাসকারীরা জবরদস্তি জমি দখল করে রেখেছে। স্থানীয় ও জেলা প্রশাসনকে জানিয়েও কোনও সুরাহা হচ্ছে না। তাঁদের দাবি, স্কুল সম্প্রসারণের জন্য অবিলম্বে জমি ফিরিয়ে দিতে হয়ে।দুর্গাপুরের মহকুমা শাসক সৌরভ চট্টোপাধ্যায় বলেন, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্গাপুর প্রজেক্ট লিমিটেড (ডিপিএল) কর্তৃপক্ষ তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের সংলগ্ন এলাকায় ওই হিন্দি মাধ্যম স্কুল গড়ে তোলার অনুমিত দেন। ১৯৮৫ সালে স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য ৪ একর জমি দেওয়া হয়। সেই বিশাল জমির একাংশে স্কুল তৈরি হয়। ২০১৪ সালে পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষা পরিষদের অধীনে যায় জমি সহ স্কুলটি। বর্তমানে স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা ৪ হাজারেরও বেশি। শিক্ষক শিক্ষিকার সংখ্যাও প্রায় ১৫০ জন। বর্তমানে ওই ৪ একর জমির মধ্যে প্রায় দেড় একর জমি দখল হয়ে গিয়েছে। স্কুলের পড়ুয়ার সংখ্যা ব্যপক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় স্কুলের শ্রেণিকক্ষ সম্প্রসারণের জন্য জমির প্রয়োজন হয়ে উঠেছে। সেই মতো স্কুল কর্তৃপক্ষ দখলদার কয়েকটি পরিবারকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে জমি ফিরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেছে। অভিযোগ, জবরদখলকারীরা জমি ফিরিয়ে দিতে নারাজ। জমি উদ্ধারের দাবিতে স্কুল কর্তৃপক্ষ প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছে। কিন্তু সুরাহা মেলেনি। তাই এদিন পড়ুয়ারা শ্রেণিকক্ষের সমস্যার কথা ও জমি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে থানায় বিক্ষোভে শামিল হয়।

Advertisement

রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ডঃ কলিমুল হক বলেন, আমাদের স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা এত বেশি যে, প্রতিটি ক্লাস ৪টি বিভাগে ভাগ করা হয়েছে। তাও প্রায় দেড়শো জন পড়ুয়া এক একটি কক্ষে রয়েছে। এতে পঠনপাঠনের সমস্যা হচ্ছে। গরমে পড়ুয়াদের ভোগান্তি হচ্ছে। আমরা সেই জন্য প্রায় ৮ টি শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ করতে চাইছি। আমাদের প্রায় দেড় একর জমি দখল করে বসবাস করছেন। কিন্তু স্কুল সম্প্রসারণের জন্য জমি মিলছে না। ৪ মাস আগে মহকুমা শাসক ও জেলাশাসককে জানানো হয়েছে। কিন্তু কোনও সুরাহা হয়নি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ