নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: আদালতের ধমক খেতে হয়েছিল প্রধানকে। বিচারকের নির্দেশে বলাগড়ের ভাঙন কবলিত এলাকা থেকে সরাতে হয়েছিল স্কুল। কিন্তু সমস্যা মেটেনি। অভিযোগ, জলাজমিতে নতুন ভবন তৈরি করায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। বর্ষার মরশুমে এবার জলকাদার মধ্যেই ক্লাস করছে খুদে পড়ুয়ারা। হুগলির বলাগড়ের চরখয়রামারির প্রাথমিক স্কুলের ওই দুর্দশা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। বলাগড়ের বিডিও সুপর্ণা বিশ্বাস অবশ্য বলেন, স্কুলে পড়াশোনা বন্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। সমস্যা যা হয়েছে, তার সমাধানের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
বলাগড়ের চরখয়রামারির জিএসএফপি স্কুল ভাঙনে তলিয়ে যেতে বসেছিল। বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টের নজরে আসায় ২০১৯ সালে বিচারক তলব করেছিলেন তদানীন্তন প্রধানকে। আদালতের নির্দেশে স্কুল অন্যত্র সরানো হয়। ২০২৩ সালে এক ব্যক্তির দানের জমিতে নতুন ভবন তৈরি করে দেয় শিক্ষাদপ্তর। কিন্তু অভিযোগ, সেই জমি নিচু। ফলে বর্ষার সময় জল ঢুকে পড়ে স্কুল ভবনে। সেই জলকাদা নিয়েই বর্তমানে শিক্ষার্থীদের ক্লাস করতে হচ্ছে। মিড-ডে মিলের রান্না করতেও সমস্যা হয়। ঘটনার জেরে স্কুলে শিক্ষার্থী আসা কমেছে। বর্তমানে চারটি শ্রেণিতে মাত্র ৩৬ জন পড়ুয়া পড়াশোনা করে। যদিও প্রশাসনের দাবি, ওই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ করা হবে।