Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ছাত্রীর মৃত্যু: ঘটনাস্থলে নমুনা সংগ্রহ করল ফরেন্সিক দল, ৪৮ ঘণ্টা পরও অধরা অভিযুক্ত

৪৮ ঘণ্টা কেটে গেলেও গ্রেফতার হয়নি অভিযুক্ত আইনজীবী শেখ মানোয়ার আলম।

ছাত্রীর মৃত্যু: ঘটনাস্থলে নমুনা  সংগ্রহ করল ফরেন্সিক দল, ৪৮ ঘণ্টা পরও অধরা অভিযুক্ত
  • ১৫ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: ৪৮ ঘণ্টা কেটে গেলেও গ্রেফতার হয়নি অভিযুক্ত আইনজীবী শেখ মানোয়ার আলম। কাকদ্বীপের ছাত্রী সোনিয়া হালদারের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত আইনজীবীর খোঁজ পেতে উঠেপড়ে লেগেছে পুলিশ। আইনজীবীর মোবাইল বন্ধ হয়ে রয়েছে। তাই তাঁর ঘনিষ্ঠদের জিজ্ঞাসাবাদ করে অভিযুক্তের খোঁজ পাওয়ার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। অভিযুক্তের পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এদিকে কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালের কর্তৃপক্ষকে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট শীঘ্রই জমা দেওয়ার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনদিনের মধ্যেই ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হবে। 

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আইনজীবী মানোয়ার আগে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালাতেন। সেখানে নার্সিং সহ ডিগ্রি কোর্সে ভর্তি হওয়া যেত। মূলত ভিন রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় গুলি থেকে দূরবর্তী শিক্ষার মাধ্যমে পড়াশোনার ব্যবস্থা করে দেওয়া হত। কাকদ্বীপের প্রতাপাদিত্যনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের নয়াপাড়ায় প্রায় এক বছর ধরে তিনি সেই প্রতিষ্ঠান চালিয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই প্রতিষ্ঠানে প্রায় সময় ছাত্র ছাত্রীদের সঙ্গে গন্ডগোল হত। ছাত্রছাত্রীরা বিক্ষোভও দেখিয়ে ছিলেন। এরপরই ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ সেই বিষয়েও খোঁজ নিচ্ছে।
এদিকে, শুক্রবার ফরেন্সিক দলের এক প্রতিনিধি কাকদ্বীপে আসে। ঘটনাস্থলের চারিদিক ঘুরে দেখেন। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকটি নমুনা সংগ্রহ করেছেন। কাকদ্বীপ মহকুমা পুলিশ আধিকারিক বিশ্বজিৎ নস্কর বলেন, ‘অভিযুক্ত আলমের খোঁজ পেতে বিভিন্ন সোর্স কাজে লাগানো হয়েছে। শীঘ্রই তাঁকে গ্রেফতার করা হবে। ফরেন্সিক দলের এক প্রতিনিধি ঘটনাস্থলে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে গিয়েছেন। ফরেন্সিক ও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে।’
প্রসঙ্গত, বুধবার কাকদ্বীপের প্রতাপাদিত্যনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের নয়াপাড়ায় আইনজীবী শেখ মানোয়ার আলমের চেম্বার থেকে ছাত্রী সোনিয়া হালদারের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। ছাত্রীর পরিবার আইনজীবীর বিরুদ্ধে কাকদ্বীপ থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ