সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরিকালচার বিভাগের ল্যাবে পরীক্ষানিরীক্ষার সময় গায়ে সালফিউরিক অ্যাসিড পড়ে গুরুতর জখম হলেন স্নাতকোত্তরের প্রথম বর্ষের এক পড়ুয়া। আহত জুপিতারা রাভার বাড়ি অসমে। শুক্রবার বিকেলে এই ঘটনার পর তাঁকে রায়গঞ্জ মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে সেরিকালচার বিভাগের কো-অর্ডিনেটর এবং দুই ডিন সহ অশিক্ষক কর্মীরা মেডিক্যালে তাঁকে দেখতে যান। জুপিতারা বলেন, পরীক্ষানিরীক্ষার সময় কোনও দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যাপক ল্যাবে ছিলেন না।
এই ঘটনার পরই সেরিকালচার বিভাগে অধ্যাপকদের মধ্যে শুরু হয়েছে দায় ঠেলাঠেলি। বিভাগের কো-অর্ডিনেটর সৌমেন সাহা বলেন, ল্যাবে পরীক্ষানিরীক্ষা চলার সময় গরহাজির ছিলেন দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যাপক অমিত মণ্ডল। তিনি ক্লাসে থাকবেন না সে বিষয়ে আগাম কিছুই জানাননি। এমন ঘটনার দায় সম্পূর্ণ তাঁর।
অধ্যাপক অমিত অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, কোনও ক্লাস বা দায়িত্ব ছিল না। বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসারের দায়িত্বে থাকায় তিনি উপাচার্যকে জানিয়েই ছুটিতে আছেন।
অধ্যাপকের অনুপস্থিতিতে পড়ুয়ার এমন অবস্থা হওয়ায় দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যাপকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন সারা বাংলা শিক্ষাবন্ধু সমিতির সভাপতি তপন নাগ। তিনি বলেন, অমিত মণ্ডল ক্লাসের দায়িত্বে থাকলে অবিলম্বে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
উপাচার্য দীপক কুমার রায় বলেন, এটি একটি দুর্ঘটনা। কে দোষী না খুঁজে আমাদের ছাত্রীটির শারীরিক অবস্থার দিকে নজর দিতে হবে। শনিবার কথা হয়েছে মেয়েটির সঙ্গে। সে ভালো আছে। তবে অমিত আমার কাছ থেকে ছুটি নিয়েছিলেন। তাঁর ক্লাস ছিল না বলেই জানি।