নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আনন্দপুরে সহপাঠিনীকে ধর্ষণের অভিযোগে সোমবার রাতে সরশুনায় আত্মীয়ের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হল রাজদীপ রায়কে। ঘটনার পর থেকেই সে আত্মীয়দের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল। মোবাইলের সূত্রে তার অবস্থান জেনে শেষ পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়।
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আনন্দপুরে সহপাঠিনীকে ধর্ষণের অভিযোগে সোমবার রাতে সরশুনায় আত্মীয়ের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হল রাজদীপ রায়কে। ঘটনার পর থেকেই সে আত্মীয়দের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল। মোবাইলের সূত্রে তার অবস্থান জেনে শেষ পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়।
আনন্দপুর এলাকার একটি ফ্ল্যাটে পেইং গেস্ট হিসেবে থাকা ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। ২৬ সেপ্টেম্বরের ঘটনা। নির্যাতিতার বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনায়। ৮ অক্টোবর তরুণী পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান সহপাঠী রাজদীপের বিরুদ্ধে। যদিও রাজদীপের সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক ছিল। প্রয়োজনে তরুণীর ঘর ব্যবহার করত রাজদীপ। ২৫ সেপ্টেম্বর সেই ঘরে বান্ধবীকে নিয়ে এসেছিল রাজদীপ। কিছু জিনিসপত্র নিতে ফের পরের দিন আসে যুবক। তরুণীর সঙ্গে বসে মদ্যপানও করে। অভিযোগ, তারপরই ধর্ষণ করা হয় তরুণীকে। যদিও কয়েকদিন পর অভিযোগ জানান তরুণী। ঘটনার পর প্রথমে ভদ্রেশ্বরে পিসির বাড়িতে লুকিয়ে ছিল অভিযুক্ত। কিন্তু সেখানে জানায়, পুজোর ছুটিতে ঘুরতে এসেছে। সেখানে কয়েকদিন থেকে মায়ের মামার বাড়িতে এসে থাকতে শুরু করে। অভিযুক্ত সোমবার ফোন করে এক বন্ধুকে বলে, তার কাছে টাকা নেই। তাই কিছু টাকা পাঠাতে হবে। সেই ফোনের সূত্র ধরে পুলিশ জানতে পারে সে সরশুনা এলাকায় রয়েছে। এরপরই পুলিশ সেখানে হানা দিয়ে তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে। অভিযুক্ত ছাত্রকে মঙ্গলবার আলিপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে পুলিশি হেপাজতে পাঠান। অভিযুক্ত যে বাড়িতে এসে ধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছে সেখানকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বাজেয়াপ্ত করার জন্য আদালতে আর্জি জানিয়েছে পুলিশ।