সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: শুক্রবার সন্ধ্যায় টিউশন পড়তে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল নামখানার উত্তর চন্দনপিঁড়ির ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র সৌম্যদীপ দাস। অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও তার সন্ধান মেলেনি। শেষ পর্যন্ত নামখানা থানায় নিখোঁজ ও অপহরণের একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস তদন্তও শুরু করেছিল। এমনকী সামাজিক মাধ্যমেও সৌম্যদীপের ছবি প্রকাশ করে খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু এইসব সত্ত্বেও তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। শেষ পর্যন্ত শনিবার দুপুরবেলায় বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে গ্রামের একটি ফাঁকা মাঠে হঠাৎই তাকে দেখতে পাওয়া যায়। তখন তাকে খুবই অসুস্থ লাগছিল। কথা বলার পরিস্থিতিতেও সে ছিল না। তৎক্ষণাৎ দ্বারিকনগর হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে তার চিকিৎসা করানো হয়। সুস্থ হওয়ার পর এদিন রাতে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সৌম্যদীপের বাবা চন্দন দাস বলেন, ছেলে ঠিকঠাক করে কথা বলতে পারছে না। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকম বলছে। রবিবার তাকে কাকদ্বীপ মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। তবে সৌম্যদীপ আদৌও টিউশন পড়তে গিয়েছিল কি না, এবং ওই দিন কী ঘটনা ঘটেছিল, পুলিস তার তদন্ত শুরু করেছে।



