Bartaman Logo
৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আবাসন থেকে মরণঝাঁপ ছাত্রীর

পূর্ব যাদবপুরের একটি আবাসনে অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে কিশোরীর। প্রাথমিক তদন্তে দাবি, আটতলা থেকে ঝাঁপ মেরে সোজা পাশের সুইমিং পুলে পড়ে যায় নামী ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের ছাত্রী

আবাসন থেকে মরণঝাঁপ ছাত্রীর
  • ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পূর্ব যাদবপুরের একটি আবাসনে অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে কিশোরীর। প্রাথমিক তদন্তে দাবি, আটতলা থেকে ঝাঁপ মেরে সোজা পাশের সুইমিং পুলে পড়ে যায় নামী ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের ছাত্রী। ৩ সেপ্টেম্বর রাত দেড়টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে মুকুন্দপুরে। আদোরিনা সাহা (১৫) নামে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। কিশোরীর মা আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ করেছেন থানায়। তার ভিত্তিতে কেস রুজু করেছে পূর্ব যাদবপুর থানা।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কিশোরীর বাবা-মায়ের মধ্যে বিচ্ছেদ হয় পাঁচ বছর আগে। আদোরিনা বাবার কাছেই থাকত। মা মাঝেমধ্যে তার কাছে আসতেন। এছাড়া নিয়মিত ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজে মেয়ের সঙ্গে কথা বলতেন মা। ৩ সেপ্টেম্বর রাত দেড়টা নাগাদ আবাসনের নিরাপত্তারক্ষীরা কিছু একটা পড়ার শব্দ শুনতে পান। তাঁরা দেখেন, পাশের সুইমিং পুলে আবাসনের এক কিশোরীর দেহ পড়ে রয়েছে। তদন্তে নেমে পুলিশ জেনেছে, ওই কিশোরী রাত দেড়টা নাগাদ আবাসনের আটতলায় ওঠে। সেখানে ফায়ার এক্সিট ব্যালকনি থেকে উদ্ধার হয়েছে কিশোরীর মোবাইল। জানা যাচ্ছে, আটতলা থেকে ঝাঁপ দেওয়ার পর কিশোরাী ছ’তলায় ধাক্কা খেয়ে সোজা পাশের সুইমিং পুলে পড়ে। ছ’তলার নীচের বারান্দায় রক্তের দাগ মিলেছে। আবাসনে ক্যামেরা থাকলেও ওই জায়গা কভারেজের বাইরে। তাই কোনো ফুটেজ পুলিশ পায়নি। তার বাবা পুলিশকে জানিয়েছেন, কিশোরী একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। অঙ্ক ও বাংলা পরীক্ষা নিয়ে চাপে ছিল কিশোরী। যদিও তার কাছ থেকে কোনো সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। রাত একটায় সে শেষবার হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ করেছে। তবে মানসিক চাপের কারণে এই আত্মহত্যা, নাকি বাবা-মায়ের বিবাদের কারণে এই ঘটনা, জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ