Bartaman Logo
২৮ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ফ্যাকাল্টি পরিচয় দিয়ে কলেজে ভর্তির টোপ, প্রতারণার শিকার ছাত্রী

দি ওয়েস্ট বেঙ্গল ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব জুরিডিকাল সায়েন্সের ফ্যাকাল্টি পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে।

ফ্যাকাল্টি পরিচয় দিয়ে কলেজে ভর্তির টোপ, প্রতারণার শিকার ছাত্রী
  • ৩১ অক্টোবর, ২০২৫ ১৯:১০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দি ওয়েস্ট বেঙ্গল ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব জুরিডিকাল সায়েন্সের ফ্যাকাল্টি পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। ভর্তির পরীক্ষা ছাড়াই শিবপুরের এক ছাত্রীকে সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছিল প্রতারকরা। সব মিলিয়ে তাঁর কাছ থেকে দু’লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই শিবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

Advertisement

হাওড়া সিটি পুলিশ সূত্রে খবর, ওই ছাত্রী আইন পড়বেন বলে এনইউজেএসে ভর্তির চেষ্টা করছিলেন। এরজন্য বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করতে শুরু করেন। বিষয়টি কানে যায় এলাকার বাসিন্দা রঞ্জন কেশরী নামে এক যুবকের। সে নিজেকে ওই কলেজের পদস্থ কর্তা বলে পরিচয় দিয়ে জানায়, ওই ছাত্রীকে এনইউজেএসে ভর্তি করিয়ে দেবে। এরজন্য তাঁর কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সমস্ত নথি নিয়েছিল। ওই ছাত্রীর পরিবারের কাছে প্রথমে পঞ্চাশ হাজার টাকা নেয় ভর্তির জন্য। তারপর অভিযুক্ত  এনইউজেএসের ফ্যাকাল্টি বলে পরিচয় করিয়ে দেয় অরিজিৎ নামে এক যুবকের সঙ্গে। দুই অভিযুক্তই বেলেঘাটায় এনইউজেএস ক্যাম্পাসে ওইদিন হাজির ছিল। সেখানেই ওই ছাত্রী তাদের সঙ্গে কথা বলে। অরিজিৎ জানায়, এই কলেজের ফ্যাকাল্টির সমস্ত শিক্ষক তার অধীনে রয়েছেন। একইসঙ্গে  অ্যাডমিশন সংক্রান্ত বিষয় সে নিজেই দেখভাল করে। তাই ভর্তি হতে কোনও অসুবিধা হবে না। পরীক্ষা ছাড়াই অ্যাডমিশন হয়ে যাবে। এরপর অভিযুক্তের দাবি মতো দমদম মেট্রো স্টেশনে গিয়ে এক লক্ষ টাকা দিয়ে আসে ওই ছাত্রীর পরিবার। তারপরেও ভর্তি হতে না পেরে ওই ছাত্রীর পরিবার ওই দুই ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করে। কিষান পান্ডে নামের এক যুবকের ফোন নম্বর দিয়ে তারা বলে, তিনি এই কলেজের আরও এক ফ্যাকাল্টি। তিনি সমস্ত বিষয় বলতে পারবেন। বাধ্য হয়ে ওই ছাত্রী তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। অভিযোগ, কিষানও বিভিন্ন অজুহাতে টাকা নেন তাঁর কাছ থেকে। সেশন শুরু হওয়ার পর ভর্তি হতে না পারায় ওই ছাত্রী বুঝতে পারেন, তিনি প্রতারকদের পাল্লায় প঩ড়েছেন। এরপর প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন শিবপুর থানায়। তদন্তে নেমে পুলিশ জেনেছে, ইউপিআইয়ের মাধ্যমে প্রতারকদের অ্যাকাউন্টে সব মিলিয়ে দু’লক্ষ টাকা গিয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযুক্তরা কেউই এনইউজেএসের ফ্যাকাল্টি নয়। তারা ভুয়ো পরিচয় দিয়ে লোকজনকে ঠকাচ্ছে। চক্র গড়ে এই কারবার চালাচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ