সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: বিভিন্ন দাবিতে মঙ্গলবার সাঁতুড়ি ব্লকের পোড়াডিহায় একটি স্টিল কারখানায় বিক্ষোভ দেখায় ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা। প্রায় চার ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভ চলে। পাশাপাশি কয়েক দফা দাবিতে কর্তৃপক্ষের কাছে ডেপুটেশন দেওয়া হয়।
Advertisement
বিক্ষোভকারীরা জানিয়েছেন, তাড়াতাড়ি সমস্যার সমাধান না হলে আগামী দিনে রাজ্য সড়ক অবরোধ করা হবে। কারখানায় কোনও গাড়ি ঢুকতে বা বেরোতে দেওয়া হবে না।
মোর্চা জানিয়েছে, প্রায় দু’মাস আগে কারখানা কর্তৃপক্ষের কাছে ডেপুটেশন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা কোনও পদক্ষেপ করেনি। এরপর দলের তরফে একটি চিঠিও দেওয়া হয়। সেই চিঠির জবাব চেয়ে এদিন জমায়েত করা হয়। কিন্তু কর্তৃপক্ষ তাদের সঙ্গে কথা বলতে চায়নি। তাই অবস্থান বিক্ষোভ করা হয়। পরে কারখানা কর্তৃপক্ষ দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে।
দলের রঘুনাথপুর জোনাল সভাপতি বিপ্লব মারান্ডি বলেন, কারখানার দূষণে গ্রামের গবাদি পশু মারা যাচ্ছে। কৃষিজমিতে চাষ হচ্ছে না। ক্যান্সার, চর্মরোগ ও হার্টের রোগ বাড়ছে। এলাকার যুবক-যুবতীরা কাজ পাচ্ছে না। শ্রমিকদের সুরক্ষা নেই। এলাকার উন্নয়নের জন্যও কর্তৃপক্ষ কোনও কাজ করে না। কারখানার এইচআর মৃত্যুঞ্জয় চট্টোপাধ্যায় বলেন, পোড়াডিহায় বহুদিন ধরে বন্ধ থাকা কারখানা আমাদের কোম্পানি চালু করেছে। কারখানায় আগে যে সমস্ত শ্রমিক কাজ করতেন, তাঁদেরই নিয়োগ করা হয়েছে। কারখানা সম্প্রসারণের জন্য এলাকার বাসিন্দাদের সহযোগিতায় সরকারি নিয়ম মেনে জমি কেনা হচ্ছে। কারখানা সম্প্রসারণ হলে কর্মসংস্থান বাড়বে। কিন্তু এখানে কিছু মানুষ চাইছে না যে, কারখানা ভালোভাবে চলুক। আমাদের কোম্পানির পুরুলিয়ায় তিনটি ও আসানসোলে দু’টি কারখানা রয়েছে। কোথাও কোনও অভিযোগ নেই।
মোর্চা জানিয়েছে, প্রায় দু’মাস আগে কারখানা কর্তৃপক্ষের কাছে ডেপুটেশন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা কোনও পদক্ষেপ করেনি। এরপর দলের তরফে একটি চিঠিও দেওয়া হয়। সেই চিঠির জবাব চেয়ে এদিন জমায়েত করা হয়। কিন্তু কর্তৃপক্ষ তাদের সঙ্গে কথা বলতে চায়নি। তাই অবস্থান বিক্ষোভ করা হয়। পরে কারখানা কর্তৃপক্ষ দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে।
দলের রঘুনাথপুর জোনাল সভাপতি বিপ্লব মারান্ডি বলেন, কারখানার দূষণে গ্রামের গবাদি পশু মারা যাচ্ছে। কৃষিজমিতে চাষ হচ্ছে না। ক্যান্সার, চর্মরোগ ও হার্টের রোগ বাড়ছে। এলাকার যুবক-যুবতীরা কাজ পাচ্ছে না। শ্রমিকদের সুরক্ষা নেই। এলাকার উন্নয়নের জন্যও কর্তৃপক্ষ কোনও কাজ করে না। কারখানার এইচআর মৃত্যুঞ্জয় চট্টোপাধ্যায় বলেন, পোড়াডিহায় বহুদিন ধরে বন্ধ থাকা কারখানা আমাদের কোম্পানি চালু করেছে। কারখানায় আগে যে সমস্ত শ্রমিক কাজ করতেন, তাঁদেরই নিয়োগ করা হয়েছে। কারখানা সম্প্রসারণের জন্য এলাকার বাসিন্দাদের সহযোগিতায় সরকারি নিয়ম মেনে জমি কেনা হচ্ছে। কারখানা সম্প্রসারণ হলে কর্মসংস্থান বাড়বে। কিন্তু এখানে কিছু মানুষ চাইছে না যে, কারখানা ভালোভাবে চলুক। আমাদের কোম্পানির পুরুলিয়ায় তিনটি ও আসানসোলে দু’টি কারখানা রয়েছে। কোথাও কোনও অভিযোগ নেই।



