নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: স্টেট জেনারেল হাসপাতাল পেতে চলেছে মেমারি। গ্রামীণ হাসপাতাটিকেই উন্নীতকরণ করা হবে। জেলা থেকে কিছুদিন আগেই প্রস্তাব গিয়েছে। স্বাস্থ্যদপ্তর থেকে সবুজ সংকেত পেলেই হাসপাতাল উন্নীতকরণের কাজ শুরু হবে। মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিক জয়রাম হেমব্রম বলেন, নতুন করে ১০০টি বেড বাড়ানো হয়েছে। পরিকঠামোও উন্নত হয়েছে। সবকিছু বিচার করেই স্টেট জেনারেল হাসপাতাল তৈরির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
Advertisement
স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ভাতার স্টেট জেনারেল হাসপাতালের পরিকাঠামো উন্নত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপর চাপ কমাতেই এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। ওই দুই এলাকা থেকে বহু রোগী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আসেন। পরিকাঠামো উন্নত না হওয়ায় ওই দু’টি হাসপাতালে চিকিৎসা করতে আসা রোগীদের বর্ধমানে রেফার করা হয়। মেমারি মহকুমা হাসপাতালের দাবি দীর্ঘদিনের। এই ধরনের হাসপাতাল তৈরির পিছনে যথেষ্ট কারণ রয়েছে বলে আধিকারিকদের দাবি। মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক বলেন, আপাতত স্টেট জেনারেল হাসপাতাল তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। সেটা হলেও ওই এলাকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা অনেকটাই বদলে যাবে।
স্বাস্থ্যদপ্তরের আর এক আধিকারিক বলেন, পরিষেবার দিক থেকে মেমারি গ্রামীণ হসপাতাল অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। ভালো পরিষেবা দেওয়ার জন্য বেশ কয়েকবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সম্মানিত করা হয়েছে। মায়েদের চিকিৎসার জন্য বিশেষ বন্দোবস্ত রয়েছে। স্টেট জেনারেল হাসপাতাল হলে বেডের সংখ্যা বাড়বে। বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসকও নিয়োগ হবে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের আধুনিকমানের যন্ত্রাংশও দেওয়া হবে। সম্প্রতি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেও বেশকিছু অত্যাধুনিক মেশিন আনা হয়েছে। ক্যান্সার ইউনিটও সামনের সপ্তাহে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এমএসভিপি তাপস ঘোষ বলেন, ক্যান্সার ইউনিটের আউটডোর পরিষেবা অনেক আগে থেকে চালু রয়েছে। ২১ নভেম্বর থেকে ইন্ডোর পরিষেবাও চালু করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু, কিছু কাজ বাকি থাকায় ওই সময় তা চালু করা যায়নি। ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে তা চালু করা হবে। এই বিভাগটি চালু হলে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলার রোগীরা উপকৃত হবেন।
স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, মেমারির মতো আরও কয়েকটি হাসপাতালে পরিকাঠমো ধাপে ধাপে উন্নত করা হবে। সেই মতো রাজ্যে প্রস্তাব পাঠানো হবে। স্বাস্থ্যদপ্তরের আধিকারিকরা পরিদর্শনের পর সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে মেমারি গ্রামীণ হাসপাতাল স্টেট জেনারেল হাসপাতালের তকমা পাওয়ার দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে।
স্বাস্থ্যদপ্তরের আর এক আধিকারিক বলেন, পরিষেবার দিক থেকে মেমারি গ্রামীণ হসপাতাল অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। ভালো পরিষেবা দেওয়ার জন্য বেশ কয়েকবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সম্মানিত করা হয়েছে। মায়েদের চিকিৎসার জন্য বিশেষ বন্দোবস্ত রয়েছে। স্টেট জেনারেল হাসপাতাল হলে বেডের সংখ্যা বাড়বে। বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসকও নিয়োগ হবে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের আধুনিকমানের যন্ত্রাংশও দেওয়া হবে। সম্প্রতি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেও বেশকিছু অত্যাধুনিক মেশিন আনা হয়েছে। ক্যান্সার ইউনিটও সামনের সপ্তাহে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এমএসভিপি তাপস ঘোষ বলেন, ক্যান্সার ইউনিটের আউটডোর পরিষেবা অনেক আগে থেকে চালু রয়েছে। ২১ নভেম্বর থেকে ইন্ডোর পরিষেবাও চালু করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু, কিছু কাজ বাকি থাকায় ওই সময় তা চালু করা যায়নি। ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে তা চালু করা হবে। এই বিভাগটি চালু হলে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলার রোগীরা উপকৃত হবেন।
স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, মেমারির মতো আরও কয়েকটি হাসপাতালে পরিকাঠমো ধাপে ধাপে উন্নত করা হবে। সেই মতো রাজ্যে প্রস্তাব পাঠানো হবে। স্বাস্থ্যদপ্তরের আধিকারিকরা পরিদর্শনের পর সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে মেমারি গ্রামীণ হাসপাতাল স্টেট জেনারেল হাসপাতালের তকমা পাওয়ার দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে।



